বাংলা নিউজ > ময়দান > পিছিয়ে গেল শুনানি, এক সপ্তাহ পরে ভাগ্য নির্ধারণ সৌরভ-জয় শাহের
পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টের শুনানি।

পিছিয়ে গেল শুনানি, এক সপ্তাহ পরে ভাগ্য নির্ধারণ সৌরভ-জয় শাহের

  • যাতে কুলিং অফ পিরিয়ডের নিয়মের আওতার বাইরে থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহ নিজেদের পদে বহাল থাকতে পারেন, তাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিসিসিআই। এমনিতে বছর দুই আগেই বিসিসিআই এই আবেদন করেছিল। কিন্তু প্রথমে করোনার জেরে শুনানি পিছিয়ে যায়। তার পরেও বিষয়টি ঝুলেই ছিল।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহের ভাগ্যে রয়েছে, জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আরও এক সপ্তাহ। সুপ্রিম কোর্টের শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। পরবর্তী শুনানি এক সপ্তাহ পরে। ২৮ জুলাই। অর্থাৎ পরের বৃহস্পতিবার।

যাতে কুলিং অফ পিরিয়ডের নিয়মের আওতার বাইরে থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহ নিজেদের পদে বহাল থাকতে পারেন, তাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিসিসিআই। এমনিতে বছর দুই আগেই বিসিসিআই এই আবেদন করেছিল। কিন্তু প্রথমে করোনার জেরে শুনানি পিছিয়ে যায়। তার পরেও বিষয়টি ঝুলেই ছিল। সম্প্রতি শীর্ষ আদালতকে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানানো হয়েছিল বিসিসিআইয়ের তরফে। তার শুনানি ছিল বৃহস্পতিবার।

আরও পড়ুন: চাটার্ড বিমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়েছে ভারতীয় দল, খরচ শুনলে চমকে যাবেন!

এ দিকে সৌরভ ও জয় যাতে বিসিসিআইয়ে থাকতে না পারেন, সেই কারণে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। আজ সুপ্রিম কোর্টে বোর্ডের আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা, বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারী ও হিমা কোহলির বেঞ্চে আজ বিষয়টি ওঠে। বিসিসিআই নিজেদের সংবিধান সংশোধন করে সৌরভ-জয়কে স্বপদে বহাল রাখতে চাইছে। বিসিসিআই-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং সচিবের বোর্ডের পদে মেয়াদ ফুরানোর কথা সেপ্টেম্বরে। তবে গোটা বিষয়টিই নির্ভর করবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উপর।

আরও পড়ুন: সৌরভ-জয় শাহদের মেয়াদ বৃদ্ধির মামলায় স্থগিতাদেশ, কাল ফের শুনানি

শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, পি এস নরসিমার পরিবর্তে এই বিষয়ে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিযুক্ত করা হলো সিনিয়র বিচারপতি মনিন্দর সিংকে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত নিতেই আদালতের বন্ধু বা অ্যামিকাস কিউরি নিযুক্ত করা হলো। এর আগে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন পিএস নরসিমহা, যিনি নিজেই এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে উন্নীত হয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিচারপতি আরএম লোধা কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছিল, একটানা কেউ বিসিসিআই ও রাজ্য সংস্থার ক্রিকেট প্রশাসনে টানা থাকলে ছয় বছর পর তাঁকে বাধ্যতামূলক তিন বছরের কুলিং অফে যেতে হবে। কিন্তু বোর্ড সভাপতি বা সচিব পদে কুলিং অফের নিয়মটি তুলে দিতে চাইছে বিসিসিআই। সেই জন্য প্রয়োজন সংবিধান সংশোধন। সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া তা সম্ভব নয়।

বন্ধ করুন