বাড়ি > ভাগ্যলিপি > নিয়মিত শঙ্খ বাজালে সারবে রোগ
শঙ্খ বাজানোর পর, তা জল দিয়ে পরিষ্কার ও শুদ্ধ করা উচিত।
শঙ্খ বাজানোর পর, তা জল দিয়ে পরিষ্কার ও শুদ্ধ করা উচিত।

নিয়মিত শঙ্খ বাজালে সারবে রোগ

  • শঙ্খ বাজালে ফুসফুস মজবুত হয়। এর ফলে ফুসফুস সংক্রান্ত রোগ কম হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত রোগ দূর করার জন্য শঙ্খ অবশ্যই বাজানো উচিত।

হিন্দু ধর্মে দেব-দেবীর আরাধনার পাশাপাশি, পুজোয় ব্যবহৃত সামগ্রীরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পুজোয় ফুল, প্রদীপ, প্রসাদ, গঙ্গাজল, সিঁদুর, রোলী ও শঙ্খ অবশ্যই ব্যবহার করা হয়। পুজোর সময় শঙ্খনাদ শুভ মনে করা হয়। বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর হাতে শঙ্খ সুশোভিত থাকে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, যে বাড়িতে শঙ্খ থাকে না, সেখানে লক্ষ্মী বাস করেন না। রোজ শঙ্খ বাজালে বাড়ির নেগেটিভ এনার্জি দূর হয় ও পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার হয়। এখানে জানুন শঙ্খ বাজানোর নিয়ম ও লাভ—

  • শঙ্খ বাজালে ফুসফুস মজবুত হয়। এর ফলে ফুসফুস সংক্রান্ত রোগ কম হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত রোগ দূর করার জন্য শঙ্খ অবশ্যই বাজানো উচিত।
  • যাঁরা আটকে আটকে কথা বলেন, কথাবার্তা জড়িয়ে যায় বা যাঁরা তোতলা, তাঁদের নিয়মিত শঙ্খ বাজানো উচিত। শঙ্খ বাজালে ব্যক্তির গলার ব্যয়াম হয় এবং তোতলানোর সমস্যা দূর হয়।
  • আবার পুজোর সময় নিয়মিত শঙ্খ বাজালে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে যায়। এতে শিরার ব্লকেজ খুলে যায়।
  • মুখমন্ডলের ব্যয়ামের জন্যও শঙ্খ বাজানো ভালো, এতে মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয় ও বলিরেখাও কমে যায়।

পুজোর সময় শঙ্খের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই নিয়মের পালন অবশ্যই করবেন-

  1. শঙ্খকে সবসময় লাল কাপড়ে মুড়ে পুজো ঘরে রাখা উচিত।
  2. সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো উচিত।  এ ছাড়া অন্য কোনও সময় শঙ্খ বাজানো অনুচিত। বাড়িতে একের বেশি শঙ্খ রাখবেন না।
  3. কখনও অন্য ব্যক্তির সঙ্গে শঙ্খ বদল করবেন না।
  4. শঙ্খ বাজানোর আগে তার পুজো করা উচিত। পুজো না-করে ভুলেও শঙ্খ বাজাতে নেই।
  5. শঙ্খ বাজানোর পর, তা জল দিয়ে পরিষ্কার ও শুদ্ধ করা উচিত।

বন্ধ করুন