বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মালদহের মানিকচকে ভেসেল বিপর্যয়ে এখন নিখোঁজ প্রায় ১০ জন, জোরকদমে চলছে তল্লাশি
মালদার মানিকচকে চলছে উদ্ধারকাজ। পাশে, ক্ষতিগ্রস্ত লরি। ছবি : সংগৃহীত
মালদার মানিকচকে চলছে উদ্ধারকাজ। পাশে, ক্ষতিগ্রস্ত লরি। ছবি : সংগৃহীত

মালদহের মানিকচকে ভেসেল বিপর্যয়ে এখন নিখোঁজ প্রায় ১০ জন, জোরকদমে চলছে তল্লাশি

  • এই ঘটনায় নিখোঁজ হয়ে যান ২০ জন যাত্রী। রাতেই ১০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। তাঁদের অনেকেই মানিকচক ও মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

মালদহের মানিকচকে ভেসেল বিপর্যয়ের ঘটনার ২৪ ঘণ্টা হতে চলল। ঘটনায় নিখোঁজ বহু যাত্রীর এখনও কোনও হদিশ মেলেনি। মঙ্গলবার সকাল থেকে জোরকদমে চলছে তল্লাশি অভিযান। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি রয়েছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে ১০ জনের। তাঁদের খোঁজ করছে ডুবুরিরা।

সোমবার সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ ঝাড়খণ্ডের রাজমহল থেকে মানিকচক ঘাটে আসে একটি পণ্যবাহী ভেসেল। তাতে পাথরবোঝাই ১০টি লরি ছিল। জেটিতে দাঁড় করানোর সময় ভেসেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। একইসঙ্গে ভেসেলের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গিয়ে ভেসেলটি একদিকে হেলে যায়। ভেসেলে থেকে একের পর এক লরি গঙ্গায় পড়ে যেতে থাকে। সবমিলিয়ে ৮টি লরি গঙ্গাবক্ষে পড়ে যায়। ডুবে যায় ভেসেলটি। এই ঘটনায় নিখোঁজ হয়ে যান ২০ জন যাত্রী। রাতেই ১০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। তাঁদের অনেকেই মানিকচক ও মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজমহল•মানিকচকের মধ্যে যে ভেসেলগুলি চলাচল করে, সেগুলিতে প্রায়শই বাড়তি লরি থাকে। সেই ভেসেলে ওঠেন যাত্রীরাও। সবমিলিয়ে অতিরিক্ত ভারের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। সেই অভিযোগ নিয়েও জেলা প্রশাসনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

বন্ধ করুন