বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মোবাইল রেখে পড়তে বলেছিলেন বাবা-মা, অভিমানে গায়ে আগুন ছাত্রীর
মোবাইল কম দেখতে বলায় আত্মঘাতী ছাত্রী. প্রতীকী ছবি (PTI Photo/Swapan Mahapatra) (PTI)
মোবাইল কম দেখতে বলায় আত্মঘাতী ছাত্রী. প্রতীকী ছবি (PTI Photo/Swapan Mahapatra) (PTI)

মোবাইল রেখে পড়তে বলেছিলেন বাবা-মা, অভিমানে গায়ে আগুন ছাত্রীর

  • দিনের বেশিরভাগ সময়ই মোবাইলে ব্যস্ত থাকতেন। এমনকী গভীর রাতেও মোবাইল নিয়েই ব্যস্ত থাকত মেয়ে।

ঘরে ঘরে মোবাইলের নেশা। অনলাইনে ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে ছাত্রছাত্রীদের একাংশও। আর সেই  মোবাইলের নেশা এবার প্রাণ কাড়ল গড়বেতার কিশোরীর। পশ্চিমমেদিনীপুরের গড়বেতার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর জীবনের করুণ পরিণতি ডেকে আনল মোবাইল। গড়বেতার ধোবাবেরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন বর্ণালী পাল। ওই স্কুলেই দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশিরভাগ সময় মোবাইলেই বুঁদ হয়ে থাকতেন বর্ণালী। ইদানিং পড়াশোনাতেও বিশেষ মন ছিল না। পড়াশোনা করার সময়ও ক্রমেই কমে আসছিল ছাত্রীটির। দিনের বেশিরভাগ সময়ই মোবাইলে ব্যস্ত থাকতেন। এমনকী গভীর রাতেও মোবাইল নিয়েই ব্যস্ত থাকত মেয়ে। এদিকে এনিয়ে অশান্তি লেগেই থাকত। মেয়ের মোবাইলের নেশা ছাড়ানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলেন বাবা- মা। কিন্তু মোবাইলের নেশা ছাড়ানো যায়নি। 

এদিকে স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, মোবাইল ছেড়ে পড়াশোনায় মন দেওয়ার জন্য মেয়েকে বলেছিলেন তার বাবা মা। বকাবকিও করেছিলেন। এরপরই এনিয়ে কিছুটা অভিমান হয় বর্ণালীর। বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল সে। বহু খোঁজাখুঁজির পরেও তাকে পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের সহায়তায় তার খোঁজ মেলে। বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় তাকে। কিন্তু তখনও অভিমান কমেনি ছাত্রীর। শনিবার সকালে নিজের শরীরে আগুন দেয় ওই ছাত্রী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দাউ দাউ করে জ্বলে যায় ছাত্রীর শরীর। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় বাড়ির লোকজন। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে তাকে।

 

বন্ধ করুন