বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Arpita Mukherjee: সেক্স টয় থেকে রূপোর বাটি পেল ইডি, অর্পিতার ফ্ল্যাট ঘিরে বাড়ছে রহস্য: রিপোর্ট
অর্পিতা মুখোপাধ্যায়

Arpita Mukherjee: সেক্স টয় থেকে রূপোর বাটি পেল ইডি, অর্পিতার ফ্ল্যাট ঘিরে বাড়ছে রহস্য: রিপোর্ট

  • ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে বেশ কয়েকটি সেক্স টয় মিলেছে। এখানে সেগুলি কে নিয়ে এসেছে?‌ কী কাজে লাগত?‌ এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এছাড়া একটি রুপোর বাটিও মিলেছে। রুপোর বাটি খুব দামি দিনিস নয়। তবে এই রূপোর বাটির একটা অন্য সামাজিক দিক আছে।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই ছবি সবাই দেখেছে। এমনকী তা নিয়ে নেটপাড়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কোটি কোটি টাকা, সোনার গয়না, সোনার বাট–সহ নানা মূল্যবান জিনিস উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু ইডি কর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ হয়ে ওঠে অন্য জিনিস দেখে। ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে মিলেছে বেশ কিছু সেক্স টয় বা যৌন খেলনা।

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ ইডি সূত্রে খবর, ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে বেশ কয়েকটি সেক্স টয় মিলেছে। এখানে সেগুলি কে নিয়ে এসেছে?‌ কী কাজে লাগত?‌ এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এছাড়া একটি রুপোর বাটিও মিলেছে। রুপোর বাটি খুব দামি দিনিস নয়। তবে এই রূপোর বাটির একটা অন্য সামাজিক দিক আছে। বাঙালিদের মধ্যে নববিবাহিত দম্পতিকে রুপোর বাটি দেওয়া হয়। এটা প্রাচীন চল। যার মধ্যে থাকে কোল আলো করে পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীতে আনার শুভ কামনা। এই সব জিনিস অর্পিতার ফ্ল্যাটে কী কারণে এল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

সমীক্ষা ঠিক কী বলছে?‌ একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, সেক্স টয় ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই মহিলা। আর তাঁদের গড় বয়স ৩৮–৪৫ বছর। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও এই বয়সের মধ্যেই পড়েন। ফলে যৌবনের এই বয়সে মহিলার ফ্ল্যাটে সেক্স টয় পাওয়া আশ্চর্যজনক ঘটনা নয়। বরং এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অর্পিতা এগুলি কী অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন?‌ উঠছে প্রশ্ন।

সেক্স টয়ের রহস্য কী?‌ এই সেক্স টয় মেলার পর বিষয়টি নিয়ে অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইডির অফিসাররা। কে তাঁকে দিলেন?‌ অনলাইনে অর্ডার করেছেন কিনা?‌ এগুলি কেনার কারণ কী?‌ এইসব প্রশ্ন উঠছে। এই দেশে মহিলাদের বেশিরভাগই সেক্স টয় কেনেন অনলাইনে অর্ডার দিয়ে। আর যাঁরা কেনেন তাঁদের বেশিরভাগেরই স্থায়ী যৌনসঙ্গী নেই। তাই এই ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন