বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আদালতের স্থগিতাদেশ এগরোল না কি? যে চাইলেই পাওয়া যায়?: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

আদালতের স্থগিতাদেশ এগরোল না কি? যে চাইলেই পাওয়া যায়?: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

শুক্রবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীর যন্ত্রণা বুঝি। কিছু দালাল, যারা মুখপাত্র হিসাবে পরিচিত তারা আদালতের নামে যা খুশি বলছে।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সরাসরি জবাব দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি প্রশ্ন করেন, আদালত এগরোলের মতো স্থগিতাদেশ বিক্রি করে না কি? যে চাইলেই পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যখনই আমরা লোক নিতে চাই তখনই কেউ কোর্টে চলে যায়। আর আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে চলে আসছে। আমরা তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ শেষ করতে চাই। কিন্তু কোর্টে লড়তে গিয়েই সব টাকা চলে যাচ্ছে। তাই কোর্টকে বলব এটা দেখতে। বিচারব্যবস্থা মানুষের জন্যই। তাই মানুষের জন্যই হোক। বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে।

শুক্রবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীর যন্ত্রণা বুঝি। কিছু দালাল, যারা মুখপাত্র হিসাবে পরিচিত তারা আদালতের নামে যা খুশি বলছে। বলছে যে নিয়োগ করতে গেলেই স্থগিতাদেশ নিয়ে আসছে। আদালত এগরোলের মতো স্থগিতাদেশ বিক্রি করে না কি? যে কেউ এলেই স্থগিতাদেশ পেয়ে যাবে?’

এদিন শুনানি চলাকালীন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনকে তৃণমূলের প্রতিক প্রত্যাহার করতে বলব। দল হিসাবে তাদের স্বীকৃতিও প্রত্যাহারে করে নিতে বলব নির্বাচন কমিশনকে। সংবিধান নিয়ে যা খুশি করা যায় না।’ বিচারপতির একের পর এক পর্যবেক্ষণে শুরু হয়েছে ব্যাপক শোরগোল।

 

বন্ধ করুন