পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

দিল্লি ভোটের ফলে প্রমাণিত CAA ও NRC প্রত্যাখ্যান করেছে মানুষ, বললেন মমতা

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওরা ঘৃণার জঞ্জাল ছড়ায়। মানুষে মানুষে বিভেদ ছড়ায়। বিভাজন কখনও রাজনীতির ইস্যু হতে পারে না।

দিল্লির মসনদে কেজরিওয়ালের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত হতেই বন্ধুকে ফোন করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ফোন করে মমতা শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বলেন, ‘এই জয় গণতন্ত্রের জয়।’

দিল্লিতে আম আদমি পার্টির জয় প্রায় প্রত্যাশিতই ছিল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে ছিল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার সকালে গণনা শুরু হতেই প্রত্যাশামতো হু হু করে এগোতে থাকে কেজরিওয়ালের দল। পিছিয়ে পড়েন একের পর এক বিজেপি নেতারা। বেলা বাড়তে ক্রমশ পোক্ত হতে থাকে আপের অবস্থান। এর পরই কেজরিওয়ালকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওরা ঘৃণার জঞ্জাল ছড়ায়। মানুষে মানুষে বিভেদ ছড়ায়। বিভাজন কখনও রাজনীতির ইস্যু হতে পারে না। রাজনীতি হওয়া উচিত উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের ইস্যুতে।’

মমতা বলেন, ‘দিল্লিতে টাকা দিয়ে ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে দিল্লিতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল বিজেপি। কিন্তু মানুষ যাবতীয় চক্রান্তকে হারিয়ে গণতন্ত্রকে জিতিয়েছে।’ মমতার দাবি, ‘দিল্লির ফলে প্রামাণ হল মানুষ CAA ও NRC-কে প্রত্যাখ্যান করেছে।’

বলে রাখি, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয়নি তৃণমূল। বদলে আম আদমি পার্টিকে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।



বন্ধ করুন