বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দাবি পূরণে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে আদিগঙ্গায় নেমে বিক্ষোভ শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের
দাবি পূরণে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে আদিগঙ্গায় নেমে বিক্ষোভ শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
দাবি পূরণে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে আদিগঙ্গায় নেমে বিক্ষোভ শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

দাবি পূরণে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে আদিগঙ্গায় নেমে বিক্ষোভ শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের

  • সরস্বতী পুজোর দিনই বেনজির বিক্ষোভ।

শত অনুনয়-নিবেদনে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার অভিনব কায়দায় বিক্ষোভের পথে হাঁটলেন কয়েকজন শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক। ভিন্ন দাবিতে মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পিছনের দিকে আদিগঙ্গায় নেমে পড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না দিলে কোনওমতেই আদিগঙ্গা থেকে উঠবেন না।

মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পিছনের দিকে আদিগঙ্গায় আচমকা নেমে পড়েন পাঁচ শিক্ষামিত্র এবং মাদ্রাসা শিক্ষক। তাঁদের মধ্যে এক মহিলাও আছেন। ওই শিক্ষামিত্র দাবি করেন, দীর্ঘদিন তাঁদের বকেয়া ভাতা দেওয়া হয়নি। বাড়ানো হয়নি ভাতা। অপরদিকে এক বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক জানান, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে সংখ্যালঘুদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে রাজ্যের ১০,০০০ মাদ্রাসাকে অনুমোদন দেওয়া হবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খুব কম সংখ্যক মাদ্রাসা অনুমোদন পেয়েছে। তা নিয়ে ২০১৩ সাল থেকে সরব হয়েছেন অনুমোদনহীন মাদ্রাসার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরা। অনশনও হয়েছে। মিলেছে প্রতিশ্রুতি। কিন্তু আখেরে কোনও লাভ হয়নি। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কোনওবারই সেই অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তাই বাধ্য হয়ে এই পন্থা বেছে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ওই শিক্ষক। সঙ্গে তিনি বলেন, ‘হয় মরব, নাহলে দিদির (মমতা) সঙ্গে কথা বলব।’

তারইমধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসে পুলিশ। বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ওই শিক্ষামিত্র এবং বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের আদিগঙ্গা থেকে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁরা জল থেকে উঠতে নারাজ। এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির মতো কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে কীভাবে পুলিশের চোখ এড়িয়ে ওই পাঁচজন চলে এলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

বন্ধ করুন