বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু সাহিত্যিক সুজন দাশগুপ্তের, জানা গেল ময়নাতদন্তে

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু সাহিত্যিক সুজন দাশগুপ্তের, জানা গেল ময়নাতদন্তে

প্রয়াত সাহিত্যিক সুজন দাশগুপ্ত। ফাইল ছবি

সুজনবাবুর শ্যালক সুবীন দাস বলেন, ‘এটা সম্ভবত কোনও দুর্ঘটনা। উনি ঘুম থেকে উঠে শৌচাগারের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন উনি হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। বাড়িতে তখন কেউ ছিলেন না। ফলে তাঁকে কেউ তুলতে পারেনি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।’

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে সাহিত্যিক সুজন দাশগুপ্তের। বুধবার সন্ধ্যায় সুজনবাবুর দেহের ময়নাতদন্তের পর প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই জানিয়েছেন চিকিৎসক। পরিবারের তরফেও এই মৃত্যুতে কোনও রহস্যের তত্ত্ব অস্বীকার করা হয়েছে। তবু বিষয়টি আরেকটু খতিয়ে দেখতে চাইছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

সোমবার সকালে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ৭৮ বছর বয়সী সুজনবাবুর দেহ উদ্ধার করে সার্ভে পার্ক থানার পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় কাঁটাপুকুর মর্গে। সেখানে দুপুরে দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এর পর চিকিৎসক জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে সুজনবাবুর।

সুজনবাবুর শ্যালক সুবীন দাস বলেন, ‘এটা সম্ভবত কোনও দুর্ঘটনা। উনি ঘুম থেকে উঠে শৌচাগারের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন উনি হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। বাড়িতে তখন কেউ ছিলেন না। ফলে তাঁকে কেউ তুলতে পারেনি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।’

লেখকের বোন দেবারতি ঘোষ বলেন, ‘উনি কিছুদিন ধরে প্রস্টেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তবে সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছিল। গত রাতে বাড়িতে উনি একাই ছিলেন। ওনার স্ত্রী শান্তিনিকেতন গিয়েছেন।’

বুধবার সকালে কলকাতার ইএম বাইপাসের ধারের আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় একেন বাবু চরিত্রের স্রোষ্টা সুজন দাশগুপ্তের। সকালে পরিচারিকা এসে ডেকে সাড়া না পাওয়া আত্মীয়দের খবর দেন। আত্মীয়রা খবর দেন পুলিশে। এর পর পুলিশ এসে দরজা ভেঙে দেখে, শোয়ার ঘরে শৌচাগারের দরজার সামনে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে সুজনবাবুর দেহ। নাকে রক্তের দাগ। জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ফ্ল্যাটে একাই ছিলেন সুজনবাবু। তাঁর স্ত্রী শান্তিনিকেতন গিয়েছিলেন। মেয়ে প্রবাসী।

 

বন্ধ করুন