বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > ছেলে হবে না মেয়ে? গর্ভাবস্থার যে ৭ লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন সহজেই
গর্ভস্থ সন্তান ছেলে না মেয়ে, বুঝবেন যেভাবে!
গর্ভস্থ সন্তান ছেলে না মেয়ে, বুঝবেন যেভাবে!

ছেলে হবে না মেয়ে? গর্ভাবস্থার যে ৭ লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন সহজেই

  • হবু মায়েদের মনে সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, তা জানার ইচ্ছে থাকে একদম প্রথম থেকেই!

প্রত্যেক নারীর জীবনেই এক বিশেষ সময় প্রেগন্যান্সির এই ৯ মাস। নিজের শরীরে একটা প্রাণের তিলে তিলে বেড়ে ওঠার মতো অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারেন না অনেক হবু মা-ই। ভয়-আনন্দ-উৎকণ্ঠা মিলিয়ে এক মিশ্র অনুভূতি কাজ করে সকলের মধ্যে। সঙ্গে থাকে একটা জিনিস জানার কৌতুহল, গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে? মা-দিদিমাদের দেওয়া টোটকা দিয়ে খুব সহজেই আপনি গেস করতে পারবেন পুত্র না কন্যা সন্তানের জননী হতে চলেছেন আপনি। চলুন দেখে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থার কোন লক্ষণ দেখে কী বুঝবেন--

১. মর্নিং সিকনেস বেশি হয় মেয়ে হলে। অর্থাৎ বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দেয়। আর ছেলে হলে সাধারণত হবু মায়ের মধ্যে এরকম কোনও সমসম্যাই থাকে না। 

২. মেয়ে হলে নাকি মুড সুইংসও বেশি হয়। কথায় কথায় রাগ ও কান্না পায়। আর ছেলে হলে ঠিক এর উলটোটা হয়ে থাকে। 

৩. শোওয়ার ধরন দেখেও বোঝা যায় ছেলে না মেয়ে। ছেলে হলে সাধারণত বাঁ দিক ফিরেই শুতে পছন্দ করে হবু মায়েরা। আর মেয়ে হলে ডান দিক ফিরে শুতে নাকি বেশি ভালো লাগে। 

৪. ত্বক ও চুলে তেলতেলে ভাব, ব্রণ-র সমস্যা দেখা দিলে ধরে নেওয়া হয় কন্যা সন্তান আসতে চলেছে। আর হবু মা যদি দেখতে আরও সুন্দরী হয়ে যায়, তাহলে পুত্র সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

৫. গর্ভাবস্থায় বেশি করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে ইচ্ছে হওয়ার  অর্থ হল শরীরের ভেতর কন্যা সন্তান বেড়ে ওঠছে। আর মায়ের যদি খুব ঝাল বা টক খেতে ইচ্ছে করে তাহলে ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

৬. প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী গর্ভস্থ সন্তানের হৃদস্পন্দন হার যত বেশি হবে, মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।

৭. বেবি বাম্প দেখেও বোঝা যায় সন্তান ছেলে না মেয়ে। বেবি বাম্প যদি নীচের দিকে ঝোলা থাকে তাহলে ছেলে হবে বলেই মনে করা হয়। অন্য দিকে, মেয়ে সন্তান থাকলে বেবি বাম্প থাকে পেটের মাঝামাঝি জায়গায় ও উঁচু হয় বেশি। 

বি.দ্র.- এগুলো সবই প্রচলিত ধারণা। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বন্ধ করুন