বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কোভ্যাক্সিন vs কোভিশিল্ড: খোলা বাজারে দাম কত? কার্যকারিতাই বা কার বেশি?
ফাইল ছবি : টুইটার  (Twitter)
ফাইল ছবি : টুইটার  (Twitter)

কোভ্যাক্সিন vs কোভিশিল্ড: খোলা বাজারে দাম কত? কার্যকারিতাই বা কার বেশি?

এই প্রথম রাজ্য সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালগুলি টিকা নিজেরাই ক্রয় করবে ও নির্দিষ্ট দামের বিনিময়ে/বিনামূল্যে প্রয়োগ করবে।

আগামী ১ মে থেকে ১৮ বছরের উর্ধ্বে সকলে করোনা টিকা নিতে পারবেন। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে Co-Win অ্যাপে শুরু হবে বুকিং। এই প্রথম রাজ্য সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালগুলি টিকা নিজেরাই ক্রয় করবে ও নির্দিষ্ট দামের বিনিময়ে/বিনামূল্যে প্রয়োগ করবে।

দুটি অপশন (Covishield & Covaxin)

১. কোভিশিল্ড : ডেভেলপ করেছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা। উত্পাদন হচ্ছে পুণের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ায়।

২. কোভ্যাক্সিন : উত্পাদন করছে ভারত বায়োটেক।

পরবর্তী সময়ে একটি রুশ করোনা টিকা স্পুটনিক-ভিও বাজারে আসার কথা।

কার্যকারিতা

দুটি করোনা টিকারই দুইবার ডোজ নিতে হয়।

মুম্বইয়ে কোভিশিল্ড টিকা নিচ্ছেন এক মহিলা। ফাইল ছবি : রয়টার্স
মুম্বইয়ে কোভিশিল্ড টিকা নিচ্ছেন এক মহিলা। ফাইল ছবি : রয়টার্স (Reuters)

কোভিশিল্ড : কোভিশিল্ডের ওভারঅল সক্রিয়তা ৭০ শতাংশ। কিন্তু প্রথমে হাফ ডোজ ও তার এক মাস পর ফুল ডোজ হিসাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে ৯০% কার্যকারিতা।

কোভ্যাক্সিন : করোনার গুরুতর আক্রান্তের (severe Covid-19 disease) ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিন ১০০% কার্যকর। দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষায় সব মিলিয়ে ৭৮% কার্যকারিতা প্রকাশিত হয়েছে।

দাম

কোভিশিল্ড : রাজ্যগুলিকে ডোজপিছু ৪০০ টাকায় কোভিশিল্ড বিক্রি করা হবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলি কিনবে ডোজপিছু ৬০০ টাকা।

কোভ্যাক্সিন : ডোজপিছু রাজ্যগুলি ৬০০ টাকা কিনবে কোভ্যাক্সিন। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালগুলি ডোজপিছু ১,২০০ টাকায় কিনবে।

টিকা নিতে কত খরচ করতে হবে?

নয়াদিল্লির এক হাসপাতালে কোভ্যাক্সিনের বাক্স নিয়ে যাচ্ছেন এক স্বাস্থ্যকর্মী। ফাইল ছবি : এএনআই 
নয়াদিল্লির এক হাসপাতালে কোভ্যাক্সিনের বাক্স নিয়ে যাচ্ছেন এক স্বাস্থ্যকর্মী। ফাইল ছবি : এএনআই  (ANI PHOTO)

> যে দাম ঘোষণা হয়েছে, সেটা রাজ্য সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে টিকা বিক্রির জন্য। সাধারণ টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তির জন্য নয়।

> রাজ্য সরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা নিলে ভর্তুকির ফলে কম দামেই পাওয়া উচিত্ টিকা। আবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কিছু রাজ্যে টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই দেওয়া হবে। অর্থাত্ রাজ্য সরকার টাকা দিয়ে টিকা কিনলেও প্রয়োগ করতে সাধারণ মানুষের থেকে দাম নেবে না।

> এই প্রাইস রেঞ্জটি কেবলমাত্র ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সের এজ গ্রুপের জন্যই। স্বাস্থ্যকর্মী, করোনা যোদ্ধা ও পঁয়তাল্লিশোর্ধ্বদের টিকাকরণ আগের মতোই চলবে।

ভারতে খোলা বাজারে টিকার দাম বিশ্বের সর্বাধিক?

বিভিন্ন মহলের দাবি, বেসরকারি হাসপাতালের জন্য নির্দিষ্ট করা ৬০০ টাকা ও ১২০০ টাকার মূল্য অনেকটাই বেশি। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দাম ধার্য করা হয়েছে এখানকার করোনা টিকার। যদিও দামের বিষয়ে সম্প্রতি মুখ খোলে ভারত বায়োটেক। সংস্থা জানায়, গবেষণা ও দ্রুত উত্পাদনের পরিকাঠামো তৈরীতে বিপুল খরচ হয়েছে। নূন্যতম দামটুকু না রাখলে বিনিয়োগের টাকাটাও উঠবে না। ভবিষ্যতে গবেষণায় বিনিয়োগ করাও সম্ভব হবে না।

অন্যদিকে সেরাম ইনস্টিটিউট কর্তা আদার পুনাওয়ালা জানান, ভারতে টিকার দামের সঙ্গে অন্যান্য দেশের তুলনা করা অনুচিত।

বন্ধ করুন