বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বৈঠকের পরদিনই সিকিমে হটলাইন চালু ভারত-চিনের
স্থানীয় স্তরে সমস্যা সমাধানে সামরিক বৈঠকের পরদিনই ভারত-চিন সীমান্তে চালু হটলাইন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
স্থানীয় স্তরে সমস্যা সমাধানে সামরিক বৈঠকের পরদিনই ভারত-চিন সীমান্তে চালু হটলাইন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বৈঠকের পরদিনই সিকিমে হটলাইন চালু ভারত-চিনের

  • লাদাখ সীমান্তে শনিবার ১২ তম সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল ভারত এবং চিন।

স্থানীয় স্তরে মতপার্থক্য দূর করতে এবার সিকিম সীমান্তে হটলাইন চালু করল ভারত এবং চিন। ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার ইস্টার্ন সেক্টরে উত্তর সিকিমের কোঙ্গরা লা এবং তিব্বত স্বয়ংশাসিত অঞ্চলের খাম্বা জোঙে সেই নয়া হটলাইন বসানো হয়েছে। তার ফলে দুই দেশের সেনা কমান্ডাররা স্থানীয় স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সীমান্তে দু'দেশের সেনার মধ্যে মতপার্থক্য দূর করতে স্থানীয় স্তরে হটলাইন ব্যবহার করা হয়। যা ব্যবহার করা হয় লাদাখ সেক্টরেও। সূত্রের খবর, গত বছরের মে থেকে লাদাখ সীমান্তে যে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তারপর থেকে কমপক্ষে ১,৪৫০ বার হটলাইন চালু করা হয়েছে। সেই হটলাইনের মাধ্যমে স্থানীয় স্তরে মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের। রবিবার ভারতীয় সেনার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় স্তরে কমান্ডার পর্যায়ে যোগাযোগের জন্য দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রতিষ্ঠিত কাঠামো আছে।' সীমান্তে শান্তি এবং সুস্থিতি বজায় রাখতে বিভিন্ন সেক্টরে সেই হটলাইনগুলি গুরুত্বপূর্ণ।

আপাতত ভারত ও চিন সেনার মধ্যে মোট ছ'টি হটলাইন আছে। দুটি আছে অরুণাপ্রদেশ সীমান্তে, দুটি সিকিম সীমান্তে (রবিবারের ধরে) এবং দুটি হটলাইন আছে লাদাখ সীমান্তে। ষষ্ঠ হটলাইন চালুর একদিন আগেই সেই লাদাখ সীমান্তে প্রকত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনায় বসেছিল ভারতীয় সেনা এবং চিনা সেনা। যা লাদাখ সীমান্তে ১২ তম সামরিক বৈঠক ছিল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের দিকে মলডোয় সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সেই বৈঠক শুরু হয়েছিল। শেষ হয়েছিল সন্ধ্যায় ৭ টা ৩০ মিনিটে। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলা হয়নি। সোমবার বিবৃতি জারি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

বন্ধ করুন