বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ইলেকট্রিক বাস পরিষেবায় বিশ্বে তৃতীয় কলকাতা! লন্ডনকেও হারাল তিলোত্তমা
ছবি: টুইটার (Twitter) (Twitter)
ছবি: টুইটার (Twitter) (Twitter)

ইলেকট্রিক বাস পরিষেবায় বিশ্বে তৃতীয় কলকাতা! লন্ডনকেও হারাল তিলোত্তমা

দেশের বৃহত্তম ইলেকট্রিক বাসের সম্ভার নিয়ে এই তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে কলকাতা। কলকাতা ছাড়া কেবল মাত্র গুজরাতের আহমেদাবাদের নাম এসেছে এই সমীক্ষায়।

বিশ্বের তৃতীয় স্থানে কলকাতা। ইলেকট্রিক বাসে সৃষ্টি হল নজির। লন্ডনের মতো তাবড় প্রথম বিশ্বের শহরকে হারিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এখন আলোচনার বিষয় কলকাতার যাত্রী পরিবহণের বিকল্প মাধ্যম।

EV City Casebook-এর মাধ্যমে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য শহরগুলিতে কীভাবে ইলেকট্রিক যাত্রী পরিবহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তার সমীক্ষা করা হয়। চলতি বছরও সেই সমীক্ষায় নাম ওঠে কলকাতার। EV City Casebook 2021-এ তিলোত্তমার পাশাপাশি তালিকায় নাম ছিল ব্রিটেনের লন্ডন, কানাডার ভ্যানকুভার, চিনে শেনজেন, চিলির স্যান্টিয়াগোর মতো বিখ্যাত শহরের।

সমীক্ষা অনুযায়ী ইলেকট্রিক বাসের ক্ষেত্রে বিশ্বে এক নম্বর স্থানে চিনের শেনজেন শহর। প্রসঙ্গত, বিশ্বের মোট ইলেকট্রিক বাসের ৯৯% চিনে।

দেশের বৃহত্তম ইলেকট্রিক বাসের সম্ভার নিয়ে এই তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে কলকাতা। কলকাতা ছাড়া কেবল মাত্র গুজরাতের আহমেদাবাদের নাম এসেছে এই সমীক্ষায়। যদিও সেটা ইলেকট্রিক বাস নয়, ইলেকট্রিক ট্যাক্সির সেগমেন্টে।

ইলেকট্রিক বাসের ক্ষেত্রে কলকাতার পথ চলা কিন্তু নতুন নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গত ২০১৯ থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্র্যান্সপোর্ট অথরিটি ইলেকট্রিক বাসের সংযোজন শুরু করে। বাসগুলি সম্পূর্ণ ভারতেই উত্পাদিত।

এখনও পর্যন্ত শহরের রাস্তায় প্রায় ১০০টি ই-বাস চালায় WBTC । তবে, এখানেই শেষ নয়, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে শহরের রাস্তায় অন্তত ৫,০০০ বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। অর্থাত্ কলকাতায় পরিবহণকে যতটা সম্ভব দূষণমুক্ত করার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের অটো ওয়েবসাইটের করা এই  সুখবর টুইট করেছেন ডেরেক ও ব্রায়েন। দেখুন সেই টুইট।

তাই এরপর থেকে কলকাতায় ই-বাসে চললে, একটু গর্ব অনুভব করতেই পারেন। হাজার হোক, বিশ্বে তৃতীয় স্থানে কলকাতাকে এনেছে এই ই-বাসই।

বন্ধ করুন