বাংলা নিউজ > ময়দান > T20-তে নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন কোহলি, ODI-এর সিদ্ধান্ত ছিল নির্বাচকদের: চেতন শর্মা
বিরাট কোহলি এবং চেতন শর্মা।

T20-তে নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন কোহলি, ODI-এর সিদ্ধান্ত ছিল নির্বাচকদের: চেতন শর্মা

  • দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ভারতীয় ওয়ানডে দল ঘোষণার পরেই চেতন শর্মা জানান, 'বিরাট যখন একবার টি-২০ অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা জানিয়ে দেয়, তখন নির্বাচকরা চিন্তা করে দেখেছিল সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য একজন অধিনায়ক থাকলে তার চিন্তাধারা বুঝে নির্বাচকদেরও কাজ করতে সুবিধা হবে।'

শুভব্রত মুখার্জি: টি-২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় সিনিয়র টি-২০ দলের অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন বিরাট কোহলি। তার কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগেই ভারতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব বিরাটের হাত থেকে নিয়ে তুলে দেওয়া হয়েছিল রোহিত শর্মার হাতে। যা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। অধিনায়ক বিরাট এবং বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই বিষয়ে কথার ফারাক নিয়ে কার্যত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট মহল। সেই বিতর্কে যেন কিছুটা হলেও জল ঢাললেন নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা। নির্বাচক প্রধান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন টি-২০ অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত বিরাট নিলেও, ওয়ানডে-তে তাঁকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নির্বাচকেরাই নিয়েছিলেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে তাঁর স্পষ্ট মতামত জানিয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ভারতীয় ওয়ানডে দল ঘোষণার পরেই চেতন শর্মা জানান, 'বিরাট যখন একবার টি-২০ অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা জানিয়ে দেয়, তখন নির্বাচকরা চিন্তা করে দেখেছিল সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য একজন অধিনায়ক থাকলে তার চিন্তাধারা বুঝে নির্বাচকদেরও কাজ করতে সুবিধা হবে। ৫০ ওভারের সিদ্ধান্ত (অধিনায়কত্ব) নির্বাচকদের ছিল। টি-২০'র সিদ্ধান্ত ছিল ওর (বিরাটের)।'

বিরাটকে বিষয়টি না জানানোর যে অভিযোগ বিরাট সাংবাদিক সম্মেলনে তুলেছিলেন, সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে চেতন শর্মা বলেন, 'হ্যাঁ বিরাটকে এই বিষয়টি জানানো হয়নি। কারণ তখন বিশ্বকাপ সামনেই ছিল। আমাদের মাথাতে এই চিন্তাটা থাকলেও আমরা সেটা ওকে বলে অধিনায়ক বা দলের ফোকাস নষ্ট করতে চাইনি।' তবে চেতন শর্মা এটাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, কোহলিকে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়তে বারণ করা হয়েছিল। চেতন শর্মা বলে দিয়েছেন, ‘প্রত্যেক নির্বাচকই তখন বলেছিল যে এই সময় কোহলী নেতৃত্ব ছাড়লে বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্সের উপর প্রভাব পড়বে। আমরা বিরাটকে বলেছিলাম যে বিশ্বকাপের পর আমরা এ নিয়ে কথাবার্তা বলব। কিন্তু বিরাট নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিল।’

বন্ধ করুন