বাংলা নিউজ > ময়দান > NZ vs WI: অ্যালেনের দুরন্ত ব্যাটিং, সাউদি-বোল্টের আগুনে বোলিং, সহজ জয় কিউয়িদের

NZ vs WI: অ্যালেনের দুরন্ত ব্যাটিং, সাউদি-বোল্টের আগুনে বোলিং, সহজ জয় কিউয়িদের

সমতা ফেরাল নিউজিল্যান্ড।

ফিন অ্যালেন যদি ১১৭ বলে ৯৬ না করতেন, তবে অবস্থা বেগতিক ছিল কিউয়িদের। তবে মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করার আফসোসটা থাকবে তাঁর। শতরান না হলেও ম্যাচের সেরা হন অ্যালেনই।

প্রথম ওডিআই-এ হারতে হয়েছিল। দ্বিতীয় ওডিআই-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সমতা ফেরাল নিউজিল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে ৫০ রানে সহজ জয় ছিনিয়ে নিল কিউয়িরা।

টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একেবারে শুরুতেই মার্টিন গাপ্তিলের উইকেট দলের মাত্র ১৩ রানে হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। তবে হাল ধরেন ফিন অ্যালেন। তবে ডেভন কনওয়ে (৬), টম লাথামরা (০) নিরাশ করেন। তাঁরা দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান। তবে কিছুটা হলেও সঙ্গত করেন ড্যারেল মিচেল। মিচেল ৬৩ বলে ৪১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। বাকিদের দশা তথৈবচ। মিচেল স্যান্টনার ২৭ বলে ২৬ করে অপরাজিত থাকেন। ১১ নম্বরে নেমে ১৩ বলে ১৬ করেছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট।

আরও পড়ুন: অবশেষ শাপমুক্তি, দীর্ঘ ৮ বছর পরে নিউজিল্যান্ডকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ফিন অ্যালেন যদি ১১৭ বলে ৯৬ না করতেন, তবে অবস্থা বেগতিক ছিল কিউয়িদের। কারণ বাকিরা তো কেউ ১০ রানের গণ্ডি টপকাননি। তবে মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করার আফসোসটা থাকবে অ্যালেনের। পুরো ৫০ ওভারও খেলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৪৮.২ ওভারে ২১২ রানে অল আউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভিন সিনক্লিয়ার ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩ উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। আকিল হোসেন নেন ২ উইকেট। আলজারি জোসেফের সংগ্রহ ১ উইকেট।

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে যাওয়ার রাস্তা চওড়া করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ক্যারিবিয়ান বোলারদের দাপটে ২১২ রানে নিউজিল্যান্ড গুড়িয়ে গেলেও, সেই সুবিধেটা ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা কাজে লাগাতে পারলেন না। বরং কিউয়ি বোলারদের দাপটে ১৬১ রানে গুড়িয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টিম সাউদি (৪ উইকেট) এবং ট্রেন্ট বোল্টের (৩ উইকেট) সৌজন্যেই ৫০ রানে জয় ছিনিয়ে নিল নিউজিল্যান্ড।

ব্যাট করতে নেমে ২৭ রানে ৬ উইকেটে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার পর তারা ৫৫ রানের মাথায় হারায় সপ্তম উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান যখন ২২.৪ ওভারে ৭ উইকেটে ৬৩, তখন শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টি থামলে ৫৩ মিনিট পর শুরু হয় খেলা। 

কিন্তু ডার্কওয়ার্থ লুইসের নিয়মে ওভার কমে হয়ে যায় ৪১। একজন বোলারই ৯ ওভার বল করার অনুমতি পায়। আরও ৪ জন ৮ ওভার করে বল করার সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়। পাওয়ারপ্লে ৩৩ ওভার পর্যন্ত চলবে বলে চূড়ান্ত করা হয়।

দুই টেল এন্ডারের হাত ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিছুটা লড়াই করলেও, শেষ রক্ষা হয়নি। ইয়াননিক ক্যারিচের ৮৪ বলে ৫২ রান এবং দশে নেমে আলজারি জোসেফের ৩১ বলে ৪৯ রাান যেটুকু পুঁজি। বাকিদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। টপ অর্ডার ব্যাটাররা তো রীতিমতো ল্যাজেগোবরে হলেন। শাই হোপ এবং কিসি কার্টি ১৬ করে রান করেছেন। এর বাইরে দুই অঙ্কের গণ্ডি টপকাননি বাকিরা কেউ। ৩৫.৩ ওভারে ১৬১ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। মূলত ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই হারতে হল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এ দিকে শতরান না পেলেও ম্যাচের সেরা হন ফিন অ্যালেন।

বন্ধ করুন