বাড়ি > ভাগ্যলিপি > শয়নের নিয়মের উল্লেখ আছে পুরাণ-শাস্ত্রে, জানুন কোন উপায়ে পাবেন সুফল
আয়ু রক্ষার জন্য সুস্থ মানুষের ব্রহ্মমূহুর্তে ঘুম থেকে জেগে ওঠা দরকার।
আয়ু রক্ষার জন্য সুস্থ মানুষের ব্রহ্মমূহুর্তে ঘুম থেকে জেগে ওঠা দরকার।

শয়নের নিয়মের উল্লেখ আছে পুরাণ-শাস্ত্রে, জানুন কোন উপায়ে পাবেন সুফল

  • মনুস্মৃতি অনুযায়ী খালি ও নির্জন ঘরে একা ঘুমানো উচিত নয়। এর পাশাপাশি দেব মন্দির ও শ্মশানে ঘুমানো অনুচিত।

হিন্দু ধর্মশাস্ত্র ও নীতিশাস্ত্রে শয়নের সঙ্গে জড়িত কিছু নিয়মের উল্লেখ রয়েছে। ব্যক্তি যদি সঠিক ভাবে তা পালন করে, তা হলে তাঁরা সুস্থ থাকতে পারে ও দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারে। জানুন, শাস্ত্র অনুযায়ী ঘুমানোর নিয়ম।

  • মনুস্মৃতি অনুযায়ী খালি ও নির্জন ঘরে একা ঘুমানো উচিত নয়। এর পাশাপাশি দেব মন্দির ও শ্মশানে ঘুমানো অনুচিত।
  • আবার বিষ্ণুস্মৃতি অনুযায়ী, কোনও ঘুমন্ত ব্যক্তিকে হঠাৎ জাগাতে নেই।
  • চাণক্য নীতি অনুযায়ী, যদি ছাত্র, সেবক বা দ্বারপাল অধিক সময় পর্যন্ত ঘুমায়, তা হলে তাঁদের তৎক্ষণাৎ জাগিয়ে দেওয়া উচিত।
  • পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে, আয়ু রক্ষার জন্য সুস্থ মানুষকে ব্রহ্মমূহুর্তে উঠে যাওয়া উচিত।
  • অন্ধকার কামরায় ঘুমানো উচিত নয়।
  • মহাভারত অনুযায়ী ভেজা পায়ে ঘুমালে লক্ষ্মী রুষ্ট হন।
  • ভাঙা বিছানায় ও এঁটো মুখ নিয়ে নিদ্রা যাওয়াও অনুচিত।
  • বৌদ্ধধর্ম অনুযায়ী নগ্ন বা নির্বস্ত্র হয়ে ঘুমাতে নেই।
  • পূর্বের দিকে মাথা রেখে ঘুমালে বিদ্যা, পশ্চিমে মাথা রেখে ঘুমালে প্রবল চিন্তা, উত্তরে মাথা রেখে ঘুমালে ক্ষতি ও দক্ষিণে মাথা রেখে ঘুমালে ধন ও আয়ু লাভ হয়।
  • দিনের বেলা কখনো ঘুমাতে নেই। তবে জ্যৈষ্ঠ মাসে দুপুর নাগাদ কিছুক্ষণের জন্য ঘুমানো যেতে পারে।
  • ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ অনুযায়ী, সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের সময় ঘুমিয়ে থাকলে, সেই ব্যক্তি রোগী ও দরিদ্র হয়। মনে রাখবেন সূর্যাস্তের এক প্রহর (প্রায় 3 ঘণ্টা) পর ঘুমানো উচিত।
  • বাম দিকে ঘুরে ঘুমানো স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।
  • দক্ষিণ দিকে পা রেখে ঘুমানো উচিত নয়। যম ও দুষ্ট দেবতাদের বাস থাকে সে দিকে। কানে হাওয়া ভরে যায়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কম হয়।
  • বুকে হাত রেখে, ছাদ বা বিমের নীচে এবং পায়ের ওপর পা তুলে ঘুমাতে নেই। বিছানায় বসে খাওয়া-দাওয়া অশুভ। ললাটে তিলক লাগিয়ে ঘুমানোও অশুভ।

বন্ধ করুন