বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌আমি বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছি, সাজেশন আনতে’‌, মাকে বলে বেরিয়ে নিখোঁজ ছাত্রী!
নিখোঁজ ছাত্রী নির্জ্জ্বলা বর্মণ।
নিখোঁজ ছাত্রী নির্জ্জ্বলা বর্মণ।

‘‌আমি বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছি, সাজেশন আনতে’‌, মাকে বলে বেরিয়ে নিখোঁজ ছাত্রী!

  • এখন এই নিখোঁজ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণ সদ্য বালির দুই গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছিলেন।

‘‌আমি বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছি। সাজেশন আনতে।’‌ এই কথাটুকুই বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল মাধ্যমিকের ছাত্রী। কিন্তু দিন গড়িয়ে রাত হলেও ছাত্রীটি বাড়ি ফেরেনি। তখনই বাড়ির সদস্যদের টেনশন শুরু হয়ে যায়। তাহলে কী নিখোঁজ?‌ নাকি অপহরণ?‌ এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে হুগলির কাপাসডাঙায়। নিখোঁজ ওই ছাত্রীর নাম নির্জ্জ্বলা বর্মণ।

এখন এই নিখোঁজ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণ সদ্য বালির দুই গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছিলেন। তাও আবার রাজমিস্ত্রিদের হাত ধরে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই পিংলার গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে গেলেন। আর এবার মাধ্যমিকের ছাত্রী নিখোঁজ হল। আসলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়াটা কার্যত ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, হুগলি জেলার চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত কাপাসডাঙা এলাকার বাসিন্দা আশিক বর্মণ এবং দিপালী বর্মণ। এই দম্পতির দুই মেয়ে। বড় মেয়ে নির্জ্জ্বলা বর্মণ। কাপাসডাঙা সতীন সেন বিদ্যাপীঠের মাধ্যমিকের ছাত্রী। এই ছাত্রীর বাবা আশিকবাবু রান্নার কাজ করেন। আর দিপালীদেবী পরিচারিকার কাজ করেন। নিম্নবিত্ত সংসার। দু’‌জনেই রোজ কাজে বেরিয়ে যান।

পুলিশ সূত্রে খবর, মা কাজে বেরোবার আগে বড় মেয়ে তাঁকে জানায়, সে বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছে। সাজেশন জোগাড়ের জন্য। তারপর সেখান থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দু’‌দিন পেরিয়ে গেলেও ঘরে ফেরেনি ওই ছাত্রী। স্কুলেও অনুপস্থিত নির্জ্জ্বলা। তাই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারপরই চুঁচুড়া থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বন্ধ করুন