বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Malda: চিকিৎসক নেই, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করছেন গ্রুপ ডি কর্মী

Malda: চিকিৎসক নেই, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করছেন গ্রুপ ডি কর্মী

কাশিমপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। নিজস্ব ছবি 

তাদের অভিযোগ, আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের কাছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রই হল ভরসা। না হলে তাদের চিকিৎসার জন্য অনেক দূর যেতে হয়। কিন্তু, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে হোমিওপ্যাথি ওষুধ নিতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকাবাসীরা।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক বছর ধরে কোনও চিকিৎসক নেই। বর্তমানে সেখানে রোগীদের চিকিৎসা করছেন একজন গ্রুপ-ডি কর্মী। হোমিওপ্যাথি ওষুধের সাহায্যে তিনি রোগীদের চিকিৎসা করছেন এমন ছবি ধরা পড়ল মালদহের বামনগোলা ব্লকে জগদ্দলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাশিমপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় এক বছর ধরে পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা না পাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় মানুষজন। এই অবস্থায় সেখানে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

তাদের অভিযোগ, আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের কাছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রই হল ভরসা। না হলে তাদের চিকিৎসার জন্য অনেক দূর যেতে হয়। কিন্তু, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তারা হোমিওপ্যাথি ওষুধ নিতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকাবাসীরা। এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। কোনও চিকিৎসক নেই। প্রায় এক বছর ধরে হাসপাতালের এই অবস্থা। গ্ৰুপ ডি কর্মী এখন ডাক্তার বাবু হয়ে বসেছেন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তিন জন গ্রুপ ডি কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, এর আগে তারা বিষয়টি সিএমওএইচ-এর কাছে জানিয়েছিলেন তিনি সেখানে চিকিৎসক রাখার আশ্বাস দিয়েছিলেন তারপরেও কোনও ডাক্তারবাবুকে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়নি।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে গ্রুপ ডি কর্মী রঞ্জিত দাস বলেন, ‘ডাক্তারবাবু ছুটিতে রয়েছেন। ডাক্তারবাবু আমাকে রোগী দেখতে বলে গিয়েছেন।’ তবে এভাবে একজন গ্রুপ ডি কর্মী চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করতে পারেন কীভাবে? তাই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এলাকাবাসীরা। যদিও গ্রুপ ডি কর্মীর দাবি, তিনি সঠিক ওষুধ দিতে জানেন।

বন্ধ করুন