বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পশ্চিমবঙ্গে কবে থেকে জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন, দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন BJP সাংসদ
সোমবার বাঁকুড়ার রাইপুরের জনসভায় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও সুভাষ সরকার। 
সোমবার বাঁকুড়ার রাইপুরের জনসভায় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও সুভাষ সরকার। 

পশ্চিমবঙ্গে কবে থেকে জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন, দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন BJP সাংসদ

  • সৌমিত্রর এহেন মন্তব্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি এগিয়ে আসতে পারে বিধানসভা নির্বাচন? ভোট হতে পারে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার বিজেপি সাংসদের মুখে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির হুঁশিয়ারি। দাবি করলেন, ‘চার মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে পশ্চিমবঙ্গে।’ অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে রাষ্ট্রপতি শাসনে। সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার রাইপুরে এমনই দাবি করেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ তথা বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। 

গত রবিবার একটি বেসরকারি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি অন্যায্য নয়। এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতি শাসনের দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন তাঁর দলেরই সাংসদ। এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেন, ‘আর তো মাত্র চার মাস, তার পর রাষ্ট্রপতি শাসন। আমরা দেখে নিয়েছি। ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবেই হবে। যে ভাবে ’

সৌমিত্রর এহেন মন্তব্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি এগিয়ে আসতে পারে বিধানসভা নির্বাচন? ভোট হতে পারে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে?

বলে রাখি, গত রবিবার এক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ বলেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি অন্যায্য নয়। তবে ভারত সরকারকে সংবিধান মেনে কাজ করতে হয়। রাজ্যপালের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। 

গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির জোরদার দাবি তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সংবিধানের শাসন নেই রাজ্যে। উলটে অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এই দাবিতে অমিত শাহের কাছে একাধিকবার দরবার করেছেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। 

তবে রাজনৈতিক মহলের মতে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পথে হাঁটবে না মোদী – শাহ জুটি। তাদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনে যে বিজেপি হাওয়ার টের পাওয়া গিয়েছে তাতেই আরও বেগ তোলার চেষ্টা করবে তারা। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে পালটা সহানুভূতি পেয়ে যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

 

বন্ধ করুন