বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘আমি মেয়র, কিন্তু ঢাল–তলোয়ার নেই’‌, বিধাননগর পুরসভার বৈঠকে মন্তব্য কৃষ্ণার
কৃষ্ণা চক্রবর্তী 

‘আমি মেয়র, কিন্তু ঢাল–তলোয়ার নেই’‌, বিধাননগর পুরসভার বৈঠকে মন্তব্য কৃষ্ণার

  • বিধাননগর পুরসভা সূত্রে খবর, সোমবারের বৈঠকে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছিলেন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ নাগ। বিধাননগর পুরসভা এলাকার রাজারহাটে বেশ কয়েকটি বহুতলের নকশার বৈধতা নিয়ে অভিযোগ উঠছে।

বেআইনি নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে বিধাননগরে। তা নিয়ে পুরসভায় দমা পড়েছে বিস্তর অভিযোগ। কিন্তু কম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্ঠমহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন স্বয়ং বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। আর সোমবার বিধাননগর পুরসভার বোর্ডের বৈঠকে তিনি নিজেকে ‘ঢাল–তলোয়ারহীন’ মেয়র বলে দাবি করলেন, সূত্রের খবর।

ঠিক কী জানা যাচ্ছে?‌ বিধাননগর পুরসভা সূত্রে খবর, সোমবারের বৈঠকে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছিলেন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ নাগ। বিধাননগর পুরসভা এলাকার রাজারহাটে বেশ কয়েকটি বহুতলের নকশার বৈধতা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। জয়দেব নস্কর জানান, তাঁর ওয়ার্ডে সরকারি জমির উপরেই বেআইনি নির্মাণ হয়েছে।

ঠিক কী অভিযোগ কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ নাগের?‌ এই বিষয়ে প্রসেনজিৎ নাগ সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘জাল নকশা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বহুতল রাজারহাটে। ক্রেতারা ফ্ল্যাট কিনে রেজিস্ট্রি করলেও মিউটেশন করতে পারছেন না। পুরসভার কোনও আয় হচ্ছে না। বোর্ডের বৈঠকে সব দিকটাই তুলে ধরেছি।’ পুরসভার চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত বলেন, ‘দুই কাউন্সিলর জাল নকশা, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে তাঁদের বক্তব্য পেশ করেছেন। মেয়রও অভিযোগ খতিয়ে দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

ঠিক কী বলছেন মেয়র?‌ সূত্রের খবর, এই বৈঠকে মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীও বলে ফেলেন, ‘আমি মেয়র, কিন্তু ঢাল–তলোয়ার নেই। লোকবল নেই। আপনারাই বলুন কী ভাবে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।’ এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কী সব্যসাচী–কৃষ্ণার মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে?‌ কেন এমন মন্তব্য করলেন কৃষ্ণা?‌ মেলেনি উত্তর।

বন্ধ করুন