বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাতের দিকে পার্থদা ম্যাডামের কাছে আসতেন! বিস্ফোরক দাবি অর্পিতার ড্রাইভারের
পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। 

রাতের দিকে পার্থদা ম্যাডামের কাছে আসতেন! বিস্ফোরক দাবি অর্পিতার ড্রাইভারের

  • অর্পিতার গাড়ির চালককে ঠিক করেছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। খুব কাছ থেকে তিনি দেখেছিলেন অর্পিতা আর পার্থর গতিবিধিকে। অকপটে অনেকটাই জানালেন তিনি।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের গাড়ির চালক কে হবেন তা ঠিক করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে মাঝেমধ্যে অর্পিতার সঙ্গে দেখা করতে আসতেন পার্থ। পার্থর নাকতলার বাড়িতেও যেতেন অর্পিতা। বিস্ফোরক দাবি অর্পিতার গাড়ির চালক প্রণব ভট্টাচার্যের।

একটি বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলকে তিনি জানিয়েছেন, বেহালা ম্যানটনে পার্থদার অফিসে যেতেন ম্যাডাম। তাঁর গ্যারাজে ছিল হুন্ডা সিটি, মার্সিডিজ বেঞ্জ, মিনি কুপার, মাহিন্দ্রা আলটুরাস। তিন মাস ধরেই কয়েকটি গাড়ি দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি। অর্পিতার গাড়ির চালক হিসাবে প্রণবকে চাকরি দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই।

কোথায় কোথায় যেতেন অর্পিতা? প্রণব জানিয়েছেন, ম্যাডাম নাকলতায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতেন। একবার বোলপুরেও গিয়েছিলেন তিনি। তখন গাড়িতে অর্পিতার মা ছিলেন। মাঝেমধ্যে গাড়ি রেখে চলে যেতে বলতেন অর্পিতা। ডায়মন্ড সিটি সাউথে তিনটি ফ্ল্যাট ছিল অর্পিতার। দাবি তাঁর গাড়ির চালকের। উপরের ফ্ল্যাটে ৮টি সারমেয় থাকত। সেগুলিকে তিনি অর্পিতার বলেই জানতেন।

তবে তিনি জানিয়েছেন, টাকা পয়সার কথা তিনি কিছু জানতেন না। ম্যাডাম একটা ছোট ব্যাগ নিয়ে বের হতেন। যেদিন ইডি অভিযান চালিয়েছিল তখন কী দেখেছিলেন ওই চালক? তিনি বলেন, দেখলাম ব্যাগ থেকে টাকা ঢালছে। আগে টাকা পয়সা নিয়ে কিছু শুনিনি। কল্যাণ মাঝেমধ্যে আসত। পার্লারগুলো দেখাশোনা করত। পার্থদার কর্মীরা আসতেন। খাবারদাবার পৌঁছে দিত। পার্থদা কমই আসতেন। যাওয়ার পথে রাতের দিকে ঘুরে যেতেন। ইডির কাছে যা জানি সত্য বলব। বিস্ফোরক দাবি অর্পিতার গাড়ির চালকের।

 

বন্ধ করুন