বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাণিজ্য সম্মেলনে মউ সাক্ষর হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ২ প্রকল্পের শিলান্যাস মমতার
নবান্নে মমতা। ফাইল ছবি
নবান্নে মমতা। ফাইল ছবি

বাণিজ্য সম্মেলনে মউ সাক্ষর হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ২ প্রকল্পের শিলান্যাস মমতার

  • মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বানতলা চর্মনগরী বিশ্বের সেরা চর্মশিল্পকেন্দ্রগুলির একটি। এখানে রাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্যের চর্মশিল্পদ্যোগীরা বিনিয়োগ করছেন। সাড়া মিলেছে চেন্নাই ও লখনউ থেকে।

বাণিজ্য সম্মেলনে মউ সাক্ষরিত হওয়ার ছমাসের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ২টি পরিবেশবন্ধু প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রাজ্যপালের নাম না করে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, এ থেকে অনেকের অনেক কিছু শেখা উচিত। এর মধ্যে একটি রয়েছে বানতলা চর্মনগরীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ও দিঘায় একটি ২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প। ইউরোপের একাধিক দেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে এই প্রকল্পগুলি।

এদিন নবান্নে মমতা বলেন, ৬ মাস আগে ২০১৯ এর ডিসেম্বরে এই প্রকল্পগুলির মউ সাক্ষরিত হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও অনবরত কাজ করে এই প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি। যার ফলে তাঁদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বানতলা চর্মনগরী বিশ্বের সেরা চর্মশিল্পকেন্দ্রগুলির একটি। এখানে রাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্যের চর্মশিল্পদ্যোগীরা বিনিয়োগ করছেন। সাড়া মিলেছে চেন্নাই ও লখনউ থেকে। তাঁর দাবি, এই প্রকল্পে কয়েক লক্ষ্য লোকের কর্মসংস্থান হবে। 

সঙ্গে মমতা জানান, দিঘায় একটি ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হবে। এর ফলে দূষমুক্ত শক্তি পাবেন রাজ্যবাসী। যা অগামীর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে পশ্চিমবঙ্গ দেশে প্রথম বলে দাবি করেন মমতা। 

বলে রাখি, সম্প্রতি বেঙ্গল বিজনেস সামিট থেকে রাজ্যে কত টাকার বিনিয়োগ হয়েছে তা জানতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন রাজ্যপাল। এই নিয়ে একাধিক টুইটও করেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, সাধারণ মানুষের করের টাকায় বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন হলেও তা থেকে বাস্তবে কোনও বিনিয়োগ আসেনি পশ্চিমবঙ্গে।

 

বন্ধ করুন