বাংলা নিউজ > ভোটের লড়াই > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > চা-বাগানে মমতার নামে জয়ধ্বনি শুনে ফিরে গেলেন বিজেপি সাংসদ ও বিধায়ক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জন বার্লা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক এবং টুইটার)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জন বার্লা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক এবং টুইটার)

চা-বাগানে মমতার নামে জয়ধ্বনি শুনে ফিরে গেলেন বিজেপি সাংসদ ও বিধায়ক

চা–বাগানে হাজির হয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে গিয়েছিলেন বিজেপির সাংসদ জন বার্লা ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গা।

করোনাভাইরাস–সহ নানা অচলাবস্থার জন্য দেড় বছর বন্ধ ছিল চা বাগান। এবার তা খুলেছে। তাই চা–বাগানে হাজির হয়ে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছিলেন বিজেপির সাংসদ জন বার্লা ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গা। কিন্তু সেখানের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দেওয়া হল। আর তাতেই তাল কাটল। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা চা–বাগান ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। এমনকী সেখানে বকেয়া মেটানোর দাবিতে শ্রমিকদের তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। এই বিক্ষোভের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। এই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল বীরপাড়া চা–বাগানে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছ'টি চা– বাগানের সঙ্গে ডানকানের এই বাগানটিও অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তা হয়নি। তাই স্থানীয় মানুষজন প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে এই চা–বাগান বন্ধ হয়ে যায়।

সরকারি আধিকারিক ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের আগে চা–বাগানে পৌঁছে যান জন ও মনোজ। চা–বাগানে পৌঁছে তাঁরা বিক্ষোভরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে যান। আর তখনই চা–বাগান খোলার কৃতিত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নামে জয়ধ্বনি শুরু হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বেগতিক দেখে স্থান ত্যাগ করেন বার্লা ও মনোজ। আর সরাসরি অভিযোগ করেন, ‘বিধানসভা নির্বাচনের আগে চা–বাগান খোলা নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সরকারের কথা না বলে নেতা–নেত্রীদের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। তাই আমরা বেরিয়ে এসেছি।’

চা–বাগান শ্রমিকরা জানান, বোনাস–সহ বকেয়া পাওনা না দেওয়া পর্যন্ত চা–বাগানে তাঁরা যোগদান করবেন না। তৃণমূলের অভিযোগ, বিক্ষোভে বিজেপির হাত ছিল। তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা মান্নালাল জৈন অবশ্য জানান, শ্রমিকদের বকেয়া মালিকপক্ষ মিটিয়ে দেবে ক্ষেপে ক্ষেপে।

বন্ধ করুন