বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > বিগ বস ১৪ : মামার মারের দাগ আজও স্পষ্ট, রাখির মেয়েবেলার দুঃস্বপ্নের কাহিনি
রাখি সাওয়ান্ত (ছবি টুইটার) 
রাখি সাওয়ান্ত (ছবি টুইটার) 

বিগ বস ১৪ : মামার মারের দাগ আজও স্পষ্ট, রাখির মেয়েবেলার দুঃস্বপ্নের কাহিনি

  • প্রতিযোগী রাহুল বৈদ্যর কাছে রাখি প্রকাশ করেন, ছোটবেলায় মামার কাছে মার খেতেন তিনি। শরীরের মারের দাগও দেখান।

বিগ বস ১৪-এর সিজন একেবারে জমে উঠেছে। ঘরে প্রবেশ করার পর থেকেই একের পর এক ধামাকা করে যাচ্ছেন রাখি সাওয়ান্ত। সম্প্রতি নিজের ছোটবেলার ভয়ঙ্কর স্মৃতির কথা সবার সামনে তুলে ধরলেন রাখি। বাড়ির বাগানে বসে শো-এর প্রতিযোগি রাহুল বৈদ্যর সঙ্গে গল্প করতে করতে তিনি প্রকাশ করেন, ছোটবেলায় মামার কাছে মার খেতেন তিনি। 

রাখি রাহুলকে নিজের শরীরের মারের দাগও দেখান। এরপরই বলেন ছোটবেলার বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়াতেও অনুমতি দেওয়া হত না তাঁদের। এমনকি আই-ভ্রু করার অনুমতি ছিল না। ওয়্যাক্স করতে পারতেন না।  কী ধরণরে মানুষ ছিলেন তাঁর মামা তিনি সেটাও বুঝতে পারতেন না। 

রাহুল পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘তোমার বাবা-মামা দুজনেই এমন ছিল? তোমার মা তাঁদের সঙ্গে সহমত ছিল?’ উত্তরে রাখি বলেন, বাড়ির মহিলাদের কিছু বলার অনুমতি ছিলনা। কিন্তু বর্তমানে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। তাঁর অনের বিয়ের সম্বন্ধও এসেছিল। কিন্তু নৃত্যশিল্পী হওয়ার দরুন, সবাই মানা করে দিত। 

ভাঙা সুরে রাখি বলেন, তিনি বলিউডে কাজ করেন তাই লোকে তাঁকে বিচার করে, ভাবে তিনি চরিত্রহীনা। বলিউডে থাকা কী ভুল? নৃত্যশিল্পী হওয়া কী পাপ? ‘নমক ইসকা’র মতো শো করতে পেরে তিনি খুশি। কারণ, একজন নৃত্যশিল্পী কি কি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায়, এখানে সেটাতে তুলে ধরা হয়েছিল। 

আগের একটি এপিসোডে রাহুল মহাজন রাখি সম্পর্কে একই কথা বলেছিলেন-রাহুল বৈদ্য, আরশি খান ও সোনালিকে। তিনি বলেছিলেন, রাখি এক সময়ে খুব মারধরের শিকার হয়েছিলেন।

সম্প্রতি বিগবসের ঘরে জেসমিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন রাখি সাওয়ান্ত। তা হাতাহাতি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। রাখি দাবি করেন তিনি আহত হয়েছেন। যদিও এক্স-রে করার পরে দেখা গিয়েছে তিনি সুস্থ আছেন। তবে বিগ বস জানিয়েছেন, রাখির নাকের সার্জারিতে কোনও আঘাত লেগেছে কি না, তা এমআরআই করে দেখা হবে। তবে তার জন্য ঘরের বাইরে যেতে হবে তাঁকে এবং নিভৃত বাসে থাকার পর ঘরে ফিরতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হননি রাখি। তিনি ঘরে থেকেই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

বন্ধ করুন