বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ভারতে নয়, এই দেশে দারুণ ‘স্বাধীনতা ভোগ’ করেছেন মাধুরী! মুখ খুললেন ‘ধক ধক গার্ল’
মাধুরী দীক্ষিত।(ছবি সৌজন্যে- হিন্দুস্তান টাইমস)

ভারতে নয়, এই দেশে দারুণ ‘স্বাধীনতা ভোগ’ করেছেন মাধুরী! মুখ খুললেন ‘ধক ধক গার্ল’

  • প্রায় চল্লিশ বছর বড়পর্দায় চুটিয়ে কাজ করার পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখলেন মাধুরী দীক্ষিত।

প্রায় চল্লিশ বছর বড়পর্দায় চুটিয়ে কাজ করার পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখলেন মাধুরী দীক্ষিত। নেটফ্লিক্সের নয়া সিরিজ ‘দ্য ফেম গেম’-এর সঙ্গে নতুন জার্নি শুরু হল মাধুরীর। সিরিজে সুপারস্টার অনামিকা আনন্দের ভূমিকায় থাকছেন মাধুরী। পরিচালনায় বিজয় নাম্বিয়ার ও করিশ্মা কোহলি। সুপারস্টার অনামিকা আনন্দেকে ঘিরেই আবর্তিত হবে 'দ্য ফেম গেম'-এর কাহিনি। প্রসঙ্গত, ৩৮ বছরের কেরিয়ারে ৮০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন মাধুরী। সুতরাং, বলিপাড়ার হালচাল থেকে শুরু করে জনপ্রিয়তার বিভিন্ন দিকের বিষয়ে তাঁর থেকে ভালো আর কে জানবেন! তবে এত বড় তারকা হওয়ার ফলেই জীবনে ‘পরিপূর্ণ স্বাধীনতা’-র স্বাদ পাওয়া তাঁর কাছে অত্যন্ত দুর্লভ ছিল।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মাধুরী জানিয়েছেন তারকা হওয়ার সৌজন্যেই শ্যুটিংয়ের সেট পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য থাকতেন। এরপর তাঁর দেখভালের জন্য ২০ জনের একটি দল ছিল। সেই দলের সদস্যদের মাঝেই সবসময় পরিবৃত্ত হয়ে থাকতেন তিনি। ফলে নিজের জন্য ব্যক্তিগত সময় পাওয়া তাঁর কাছে একপ্রকার অসম্ভবই ছিল বলা যায়। তবে ছবিটি বদলাল যখন ডা.শ্রীরাম নেনে-কে বিয়ে করেই আমেরিকায় উড়ে গিয়েছিলেন মাধুরী।

বাজার-কে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে মাধুরী বলেছেন, 'ভীষণ আঁটোসাঁটো পরিবেশে বড় হয়েছিলাম। বলতে চাইছি, যখন শ্যুটিংয়েও যেতাম এমনকী তখনও আমাকে চোখে চোখে রাখার জন্য আমার পরিবারের কোননা কোনও সদস্য থাকতেন। তবে একবার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর নিজের জন্য সব সিদ্ধান্ত নিজেই নেওয়া শুরু করেছিলাম। আমেরিকায় থাকার সৌজন্যেই জীবনের বহু খুঁটিনাটির দিকের ব্যাপারে জানতে পেরেছিলাম। যখন ভারতে থাকতাম, আমরা চারপাশে কম করে অন্তত জানা বিশেক লোক আমাকে ঘিরে থাকত। সেখানে আমেরিকায় সম্পূর্ণ একা থাকতাম, স্বাধীনতার পরিপূর্ণ স্বাদ কী তা বুঝেছিলাম।' সামান্য থেমে তাঁর সংযোজন, 'এমন নয় যে আমি ডাকলে কেউ আসত না। যখনই প্রয়োজন হয়েছে আমার মা, শাশুড়ি সবসময়ই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তবে বয়স যত বেড়েছে তত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরে উঠেছে। বোধ বেড়েছে। এখন কোনও চরিত্র পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে গেলে সেইসব টুকরো অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাই।'

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে আসমুদ্রহিমাচল ভারতবাসীকে চমকে দিয়ে প্রবাসী ভারতীয় ডা. শ্রীরাম নেনের সঙ্গে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। বিয়ের পরপরই সোজা আমেরিকায় উড়ে যান মাধুরী। মার্কিন মুলুকে বহু বছর জমিয়ে সংসারও করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অবশ্য ফের মুম্বইতেই স্বামী ও তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে জমিয়ে সংসার করছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডের বেশ কয়েকটি ছবিতেও মুখ দেখিয়েছেন মাধুরী।

বন্ধ করুন