ঋষি কাপুরের মৃত্যুতে শোকার্ত মেয়ে ঋদ্ধিমা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
ঋষি কাপুরের মৃত্যুতে শোকার্ত মেয়ে ঋদ্ধিমা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

চাটার্ড বিমান ধরেও ঋষি কাপুরের শেষকৃত্যে পৌঁছতে পারল না মেয়ে ঋদ্ধিমা

  • 'ফিরে এসো না বাবা', ইনস্টাগ্রামে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট ঋদ্ধিমা কাপুর সাহানির।

অভিনেতা ঋষি কাপুরের অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া গোটা দেশে। ৬৭ বছর বয়সী এই তারকা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বৃহস্পতিবার সকাল ৮.৪৫-টায়। গত দু বছর ধরে মারণরোগ ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন বলিউডের প্রিয় চিন্টুজি। আজ সব লড়াই আর যন্ত্রণায় ইতি টানলেন তিনি।

লকডাউনের মধ্যেই মৃত্য হয়েছে অভিনেতা ঋষি কাপুরের। বাবাকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়ে দিল্লি সরকারের কাছে বিশেষ অনুমতি দিয়ে চাটার্ড বিমানে মুম্বই রওনা দেন ঋদ্ধিমা। কিন্তু সময়ে পৌঁছোতে পারলেন না ঋষি কাপুর কন্যা। তাঁর মুম্বইয়ে ল্যান্ড করবার আগেই পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে গেল ঋষি কাপুরের পার্থিব শরীর। এদিন ভিডিয়ো কলেই চন্দনওয়াড়ি শ্মশানে বাবার শেষকৃত্যের সাক্ষী থাকলেন ঋষি কাপুর কন্যা।

বাবার মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ঋদ্ধিমা। শোকার্ত মেয়ে একের পর এক ইনস্টা পোস্টে নিজের মনের অবস্থা তুলে ধরেছেন। তিনি পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করে ঋষি কাপুরের সঙ্গে নিজের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন। কোনও ছবিতে মেয়েবেলার ঋদ্ধিমার দেখা মিলল ভাই রণবীর ও বাবা ঋষির সঙ্গে আবার কোন ছবিতে মা-বাবার সঙ্গে লেন্সবন্দী ঋদ্ধিমাকে পাওয়া গেল।

ঋদ্ধিমা কাপুর সাহানির ইনস্টা স্টোরিতে উঠে এসেছে এই মূহুর্ত গুলো
ঋদ্ধিমা কাপুর সাহানির ইনস্টা স্টোরিতে উঠে এসেছে এই মূহুর্ত গুলো

ঋষি কাপুরের মৃত্যুর পর ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তাও পোস্ট করেন ঋদ্ধিমা। বাবার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, 'বাবা তুমি জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি। ভালো থেকো আমার সবচেয়ে শক্তিশালী যোদ্ধা, আমি তোমাকে প্রতিদিন মিস করব, তোমার ফেসটাইম কল আরও বেশি করে মিস করব! আবার দেখা হবে...ভালোবাসা নিও পাপা...'

মুম্বইয়ের স্যার এইচএন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সকাল মৃত্যু হয়েছে প্রবাদপ্রতিম বলিউড তারকা ঋষি কাপুরের। ঋষি কাপুরের মৃত্যুতে কাপুর পরিবারের তরফে জারি হয়েছে শোকবার্তা- 'আমাদের প্রিয় ঋষি কাপুর আজ সকাল ৮.৪৫ মিনিটে খুব শান্তিতে চলে গেল। লিউকিমিয়া'র সঙ্গে জারি দু'বছরের যুদ্ধ শেষ। চিকিত্সক আর হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছে শেষ মূহূর্ত অবধি তাঁদের মনোরঞ্জনের দায়ভার ও নিয়ে রেখেছিল।...গোটা বিশ্বের অনুরাগীদের কাছে ও ঋণী, তাঁদের অফুরন্ত ভালোবাসার জন্য। আজ ওর চলে যাওয়ার এই দিনে তাঁরা সকলে নিশ্চয় বুঝবে ও চায় মানুষ ওকে হাসি মুখে মনে রাখুক,চোখের জলে নয়'।



বন্ধ করুন