বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'শারীরিক,মানসিক হেনস্থার শিকার হচ্ছি', সুপ্রিম কোর্টের কাছে জবাব চাইলেন কঙ্গনা
বিস্ফোরক কঙ্গনা রানাওয়াত (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 
বিস্ফোরক কঙ্গনা রানাওয়াত (ছবি-ইনস্টাগ্রাম) 

'শারীরিক,মানসিক হেনস্থার শিকার হচ্ছি', সুপ্রিম কোর্টের কাছে জবাব চাইলেন কঙ্গনা

  • 'আমরা কি মধ্যযুগে বসবাস করছি? যেখানে মেয়েদের জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হত, তাঁরা কোনও প্রতিবাদ করতে পারত না'- কঙ্গনা রানাওয়াত।

দেশদ্রোহীতার মামলায় শুক্রবার মুম্বই পুলিশের সামনে হাজিরা দিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত ও তাঁর দিদি রঙ্গোলি চান্দেল। কথা মতোই এদিন দুপুরে বান্দ্রা পুলিশ থানায় হাজির হন কঙ্গনা, তবে ঠিক তার কয়েক মিনিট আগে টুইটারে একটি বিস্ফোরক ভিডিয়ো বার্তা পোস্ট করলেন পর্দার ‘কুইন’। অভিনেত্রী এই ভিডিয়োতে দাবি করেন, মনের ভাবনা প্রকাশ করবার জন্য প্রতিদিন তাঁকে নিশানায় নেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে এবং অকারণে তাঁর নাম একের পর এক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তাঁর কি বাক-স্বাধীনতা বা ভাবপ্রকাশের অধিকার নেই? প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন কঙ্গনা। এই ভিডিয়োর ক্যাপশনে  অভিনেত্রী লেখেন- ‘কেন আমাকে মানসিকভাবে,শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে? আমি জাতির কাছে এই প্রশ্নের জবাব চাই… আমি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, এবার আপনাদের সময়.. জয় হিন্দ’। 

কঙ্গনা ভিডিয়োতে বলেন, 'গোটা দেশ দেখতে পাচ্ছে আমার সঙ্গে কী ধরণের আচরণ করা হচ্ছে। আমার বাড়ি বেআইনিভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমার নামে একের পর এক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আমি হেসেছি বলেও আমার বিরুদ্ধে কেস ঠুকে দেওয়া হচ্ছে!  আমার দিদি, রঙ্গোলি যখন কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় চিকিত্সকদের উপর হওয়া আক্রমণ নিয়ে সরব হয়েছিল তখন আমার নামেও মামলা দায়ের করা হয়, অথচ আমি তখন টুইটারে ছিলামই না! 

কঙ্গনা বলেন, তাঁকে সমন পাঠানো হলেও তিনি জানেন না ঠিক কী অপরাধে তাঁকে বয়ান রেকর্ড করতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। কঙ্গনা যোগ করেন এই অবিচারের কথা তিনি যেন কাউকে না বলেন, সেই ব্যাপারেও তাঁকে সচেতন করা হয়েছে। ভিডিয়ো বার্তার শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, যদি তাঁর মুখ বন্ধ করানো হয়, সেটা উপনিবেশিকতার যুগে ফিরে যাওয়ার সমান হবে। 

তিনি বলেন, ‘আমি মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের কাছে জানতে চাই আমরা কি মধ্যযুগে বসবাস করছি? যেখানে মেয়েদের জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হত, তাঁরা কোনও প্রতিবাদ করতে পারত না। গোটা বিশ্ব এই অবিচার দেখতে পাচ্ছে। আমি মানুষজনকে এটাই বলতে চাই, যাঁরা আজকে এই তামাশা দেখে খুশি হচ্ছেন, হাততালি দিচ্ছেন.. যদি জাতীয়তাবাদের আওয়াজ এইভাবে বন্ধ করা হয়, তাহলে হাজার বছরের গোলামিতে আমাদের যে যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে, ফের তেমনটাই করতে হবে’। 

বন্ধ করুন