বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Environment pollution new findings: প্লাস্টিক থেকে তৈরি চারকোল সহজে মিশবে মাটিতে, কমতে পারে দূষণ, আশায় বিজ্ঞানীরা

Environment pollution new findings: প্লাস্টিক থেকে তৈরি চারকোল সহজে মিশবে মাটিতে, কমতে পারে দূষণ, আশায় বিজ্ঞানীরা

আমাদের ব্যবহারের সমস্ত জিনিসেই প্লাস্টিকের পরিমাণ বেড়ে চলেছে (Freepik)

Charcoal made of plastic may reduce environment pollution and increase soil fertility: দিন দিন পরিবেশ দূষণ বাড়ার পিছনে অন্যতম কারণ হল প্লাস্টিকের ব্যবহার। এবার নতুন গবেষণায় মিলল প্লাস্টিক থেকে চারকোল তৈরির ফর্মুলা।‌ মাটির জন্য এই চারকোল খুব উপকারী।

বিশ্ব জুড়ে পরিবেশ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ হল প্লাস্টিকের ব্যবহার। দিন দিন আমাদের ব্যবহারের সমস্ত জিনিসেই প্লাস্টিকের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। আর তারই খেসারত গুনতে হচ্ছে পরিবেশকে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, প্লাস্টিক ব্যবহার না কমলে মানুষকেও এর খেসারত দিতে হবে। এমনিতেই গ্ৰিন হাউস গ্যাসের‌ পরিমাণ বাড়ায় বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ছে। তার উপর আরেক আতঙ্কের নাম প্লাস্টিক। পরিবেশের সঙ্গে এই বর্জ্য পদার্থ মেশে না বলেই ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা‌।

তবে আধুনিক গবেষণায় কিছুটা আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি একটি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন প্লাস্টিককে চারকোলে রূপান্তরিত করার ফর্মুলা। আর এটাই আশার আলো জোগাচ্ছে। গবেষকদের কথায়, এই চারকোল মাটির সঙ্গে সহজে মিশে যায়। এমনকী মাটির মধ্যে স্বাভাবিক বিয়োজন প্রক্রিয়ায় বিয়োজিত হয় চারকোল। প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের সঙ্গে মেশার আগেই চারকোলে পরিনত করতে পারলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্লাস্টিকের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রূপ দুটিকেই চারকোলে রূপান্তরিত করার ফর্মুলা আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। এর মধ্যে একটি হল পলিস্টিরিন যা স্টাইরোফোম প্যাকিংয়ে

বহুল ব্যবহৃত হয়। অন্যটি হল পিইটি যা দিয়ে জলের বোতল তৈরি হয়। প্রসঙ্গত এই দুই ধরনের প্লাস্টিক দ্রব্যই গত কিছু বছরে সারা বিশ্বে অতিমাত্রায় ব্যবহৃত হচ্ছে।

গবেষকদের কথায়, প্লাস্টিক দ্রব্য থেকে রূপান্তরিত চারকোল শুধুই মাটিতে মিশে যেতে পারে তাই নয়, এটা মাটির গুণাগুণও বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ণাটি আরও উর্বর হয়। তাদের কথায়, চাষের মাটি উর্বর করতেই এই 'বায়োপোরাস' চারকোল বেধ কার্যকরী।

এই 'বায়োচার' মাটির জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ভূগর্ভস্থ জলের সঞ্চয় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও জৈবসার হিসেবে কাজ দেয় এটি। তবে গবেষকদলের প্রধান কান্দিস লেসলি আব্দুল আজিজ জানাচ্ছেন, মাটির উপর এই চারকোলের প্রভাব সম্পর্কে জানতে আরও গবেষণার দরকার।

এই চারকোল বানাতে ভুট্টার পাতা ও অন্য ফেলে দেওয়া জিনিসগুলি ব্যবহার করা হয়েছে।‌ দুরকম প্লাস্টিক ও ভুট্টার বর্জ্য অংশ মেশানো হয় প্রথমে। এরপর হাইড্রোথার্মাল কার্বোনাইজেশন পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ মিশ্রণকে উত্তপ্ত জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করানো হয়। বিজ্ঞানী আবদুল আজিজের কথায়, এই বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি চারকোল জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

 

বন্ধ করুন