বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Kidney Diseases Children: শিশুদের মধ্যে কিডনির সমস্যা বাড়ছে, কোন কোন দিকে লক্ষ্য রাখবেন

Kidney Diseases Children: শিশুদের মধ্যে কিডনির সমস্যা বাড়ছে, কোন কোন দিকে লক্ষ্য রাখবেন

শিশুদের মধ্যে বাড়ছে কিডনির সমস্যা (ফাইল ছবি)

একাধিক গবেষণাপত্র দাবি করেছে কিডনির সমস্যা গত বিশ বছরে এক লাফে অনেকটা বেড়েছে। শিশুদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে এই রোগ। কেন জানেন?

ভারতের বহু শিশু ইদানীংকালে ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে ভারতের শিশুরা একা নয়, গোটা বিশ্ব জুড়েই বাচ্চাদের মধ্যে বাড়ছে কিডনি রোগের সমস্যা। বিশ্ব জুড়ে প্রায় ১৫ থেকে ৭৪.৭ মিলিয়ন শিশু ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত। হ্যাঁ, পরিসংখ্যান অনুযায়ী পরিস্থিতি এমনই ভয়াবহ। তবে কেন শিশুদের মধ্যে কিডনির সমস্যা বাড়ছে? এর অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথমত, হেলথ সিস্টেমে বদল, জেনেটিক কারণ, পরিবেশগত কারণ, ইত্যাদি।

গবেষণা অনুযায়ী শেষ কুড়ি বছরে শিশুদের মধ্যে কিডনির সমস্যা অনেকটাই বেড়েছে বড়দের তুলনায়। কেন, লক্ষণ-সহ সমস্ত খুঁটিনাটি জেনে নিন।

আগে জেনে নেওয়া যাক ক্রনিক কিডনি রোগ কী?

ক্রনিক কিডনি সমস্যা তখনই বলা হয় যখন রোগীর কিডনি পাকাপাকি ভাবে খারাপ হয়ে যায়। এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিডনির কাজ করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। যার শেষ পরিণতি হচ্ছে কিডনি ফেলিওর। এই রোগ যে কোনও বয়সের মানুষের হতে পারে।

শিশুদের মধ্যে কেন এই রোগ হচ্ছে?

শিশুদের ক্রনিক কিডনি রোগ হওয়ার নেপথ্যে বেশ অনেকগুলো কারণ আছে, যেমন জন্মের সময় কোনও সমস্যা, জেনেটিক কারণ, সিস্ট থাকলে, বারবার ইনফেকশন হলে, ইত্যাদি। এই রোগের ৫টি স্টেজ হয়।

ক্রনিক কিডনি রোগের কী কী লক্ষণ দেখা যায় শিশুদের মধ্যে?

  • প্রথমত, শিশুদের খিদে কমে যাবে।
  • দ্বিতীয়ত, চোখ, পায়ের পাতা, হাতের পাতা ফুলবে।
  • তৃতীয়ত, বারবার বাথরুম যাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।
  • চতুর্থত, একটা ঝিমুনি ভাব থাকবে সারাক্ষণ। মাথাব্যথা করবে।
  • পঞ্চম, রক্তাল্পতা দেখা দেবে।

কী করে কনফার্ম হবেন যে শিশুটির ক্রনিক কিডনি রোগ হয়েছে?

আল্ট্রা সাউন্ড, ইউরিন অ্যানালাইসিস, ব্লাড টেস্ট, বায়োপসি, ইত্যাদির মাধ্যমে বোঝা যায় শিশুটির ক্রনিক কিডনি রোগ হয়েছে কি না, হলেও কোন স্টেজ।

যদি কিডনির সমস্যা হয় তাহলে কী করবেন?

কিডনির সমস্যা দেখা দিলে প্রথমত শিশুটির যে কারণে কিডনির সমস্যা হয়েছে সেটাকে আগে ঠিক করুন। তারপর তার খাবারের দিকে নজর দিন। সঠিক খাবার খেতে দিন বাচ্চাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বন্ধ করুন