বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > লম্বা চুল থেকে ন্যাড়া হওয়ার জোগাড়?মজবুত চুলের জন্য হাতের কাছেই আছে ৭ 'অস্ত্র'
প্রতীকী ছবি : টুইটার  (Twitter)
প্রতীকী ছবি : টুইটার  (Twitter)

লম্বা চুল থেকে ন্যাড়া হওয়ার জোগাড়?মজবুত চুলের জন্য হাতের কাছেই আছে ৭ 'অস্ত্র'

এর মধ্যে সবকটাই খুবই সহজলভ্য। তাই অবশ্যই ট্রাই করে দেখতে পারেন। 

রোজ বালিশ, টেবিল-চেয়ার, মেঝেয় অনেক চুল পাচ্ছেন? চুল উঠে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত? সেক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে এই ৭টি আয়ুর্বেদিক ভেষজ।

1

ব্রাহ্মী শাক খাওয়া ও বেটে সরাসরি চুলের গোড়ায় লাগানো- দুটোই বেশ উপকারি। মাথার ত্বকের মাধ্যমে এটি শোষিত হয়। মাথার ত্বক ঠান্ডা করবে। সেই সঙ্গে পুষ্টি সরবরাহ করবে। ব্রাহ্মীতে থাকা অ্যালকালয়েড চুলের শ্যাফটের প্রোটিনের সঙ্গে আবদ্ধ হয়। ফলে চুল আরও শক্তিশালী এবং ঘন হয়।

2

ভৃঙ্গরাজ সূর্যমুখী পরিবারের একটি ভেষজ। এর পাতা চুলের বৃদ্ধির জন্য উপকারি। এটি চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি আইরন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং ডি-এর একটি দারুণ উত্স। এই গুণের ফলেই ভৃঙ্গরাজ চুলকে পুষ্ট করে।

3

আমলকি খুবই সহজলভ্য একটি ফল। খুবই উপেক্ষিতও বটে। আমলকি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। এটি চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে তো বহু উপকার পাবেনই। বেটে নিয়ে আমলকির রস মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। ওষুধের দোকানেও আমলকির জুস পাওয়া যায়।

4

মেথিও খুবই সহজলভ্য। এটি চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ করতে, খুশকি কমাতে এবং মাথার শুষ্ক ত্বককে আর্দ্র করতে সাহায্য করে। এটি আয়রন, প্রোটিন, ফলিক অ্যাসিড এবং A, K, এবং C-র মতো ভিটামিনের একটি দারুণ উৎস। মেথি পিষে একটি পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন।

5

অশ্বগন্ধা সাধারণত আয়ুর্বেদিক ওষুধে ব্যবহৃত হয়। অশ্বগন্ধা নিয়মিত খেলে তা মানসিক চাপ উপশমে সাহায্য করে। অন্যদিকে নিয়মিত খেলে এটি চুল পড়াও বিদায় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

6

জবা ফুল বেটে মাথার ত্বকে মাখতে পারেন। নিয়মিত করলে চুল ঘন, কালো এবং চকচকে হবে।

7

নিমপাতাও বেশ সহজলভ্য। কচি নিমপাতা বেটে তা মাথার স্ক্যাল্পে লাগালে খুসকির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। সেই সঙ্গে সকালবেলা খালি পেটে সপ্তাহে ২-৩ দিন নিমপাতা কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারেন। খুবই তেতো লাগবে বটে। কিন্তু ১ মাস খেলে নিজেই উপকারিতা লক্ষ্য করবেন।

বন্ধ করুন