মাইক্রোসফ্ট-এর সমস্ত সংস্করণই এই ত্রুটির ফলে হ্যাকার হানার আশঙ্কাভুক্ত।
মাইক্রোসফ্ট-এর সমস্ত সংস্করণই এই ত্রুটির ফলে হ্যাকার হানার আশঙ্কাভুক্ত।

IE-তে নিরাপত্তার ছিদ্র গলে হ্যাকার হানার আশঙ্কা , ত্রুটি সারাচ্ছে মাইক্রোসফ্ট

মাইক্রোসফ্ট-এর সমস্ত সংস্করণই এই ত্রুটির ফলে হ্যাকার হানার আশঙ্কাভুক্ত বলে জানায় মাইক্রোসফ্ট। এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখ করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭ সিস্টেমের।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-এর একটি নিরাপত্তাজনিত ত্রুটির ফাঁক গলে হানা দিচ্ছে হ্যাকাররা। ওই সুরক্ষা ফাটল সারাতে উদ্যোগী হয়েছে মাইক্রোসফ্ট।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়ে প্রথম সতর্কতা জারি করে আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। তবে বিপদ যে শুধুমাত্র মার্কিন ইউজারদের ক্ষেত্রেই ঘটবে, তা নিশ্চিত নয় বলেও জানায় নিরাপত্তা সংস্থা।

মোটের উপর মাইক্রোসফ্ট-এর সমস্ত সংস্করণই এই ত্রুটির ফলে হ্যাকার হানার আশঙ্কাভুক্ত বলে জানায় মাইক্রোসফ্ট। এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখ করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭ সিস্টেমের এবং চলতি সপ্তাহের পরে সেখানে কোনও সিকিউরিটি অ্যালার্ট আসবে না বলেও জানিয়েছে মাইক্রোসফ্ট।

জানা গিয়েছে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-এর মেমোরি সংরক্ষণ প্রক্রিয়াতেই ধরা পড়েছে মূল ত্রুটি। তা কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা আক্রান্ত কম্পিউটারে রিমোট কন্ট্রোলে অনিষ্টকারী কোড পাঠাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সার্চ করতে গেলে অথবা ই-মেলে পাঠানো লিঙ্কের সাহায্যে ইউজারকে ক্ষতিকর ওয়েবসাইট খুলতে বাধ্য করার মতো কাজ।

সম্প্রতি মাইক্রোসফ্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘সংস্থা শুধুমাত্র সীমিত সংখ্যক হানার বিষয়েই খবর রাখে এবং ত্রুটি সারিয়ে তা ঠেকানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

ক্ষতিকর বাগ-টি CVE-2020-0674 হিসেবে চিহ্নিত করেছে মাইক্রোসফ্ট, কিন্তু সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও জানা গিয়েছে, ত্রুটি খোঁজার বিষয়ে মাইক্রোসফ্ট-কে সাহায্য করছে চিনের নিরাপত্তা সংস্থা দল Qihoo 360। তবে ফায়ারফক্স ব্রাউজার নির্মাতা মোজিলার দাবি, এই সংস্থাকে নিয়েও একই রকম বিপদে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে ঠিক কী ভাবে হ্যাকাররা এই ত্রুটিকে কাজে লাগাচ্ছে, তা জানাতে পারেনি Qihoo 360, মাইক্রোসফ্ট অথবা মোজিলা। তাদের নিশানায় কোন ইউজাররা রয়েছেন, তা-ও জানাতে পারেনি এই ত্রয়ী।

PreciseSecurity.com ওয়েবসাইটের জোগাড় করা তথ্য বলছে, বিশ্বে হ্যাকারদের নিশানায় পড়ার তালিকায় সবার উপরে রয়েচে মাইক্রোসফ্ট-এক পণ্যগুলিই। ২০১৯ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে বিশ্বের ৭৩% সাইবার হামলার শিকার হয়েছে এমএস অফিস তালিকাভুক্ত পণ্যগুলি।

তার পরেই রয়েছে ব্রাউজার্স (১৩.৪৭%), অ্যান্ড্রয়েড(৯.০৯%), জাভা(২.৩৬%), অ্যাডোব ফ্ল্যাশ (১.৫৭%) এবং পিডিএফ (০.৬৬%)।

বন্ধ করুন