বাড়ি > ঘরে বাইরে > করোনায় সময় রেডিয়োয় ঝোঁক বেড়েছে টিনএজারদের, অভাবনীয় উত্থান কলকাতায়
করোনায় সময় রেডিয়োয় ঝোঁক বেড়েছে কিশোরদের, কলকাতায় অভাবনীয় উত্থান (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য লাইভমিন্ট)
করোনায় সময় রেডিয়োয় ঝোঁক বেড়েছে কিশোরদের, কলকাতায় অভাবনীয় উত্থান (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য লাইভমিন্ট)

করোনায় সময় রেডিয়োয় ঝোঁক বেড়েছে টিনএজারদের, অভাবনীয় উত্থান কলকাতায়

  • শুধু কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে নয়, করোনার সময় সার্বিকভাবেই রেডিয়োর প্রতি মানুষের ঝোঁক ভালোমতো বেড়েছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভারতের চার মহানগরেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে রেডিয়োর জনপ্রিয়তা। বিশেষত রেডিয়োর প্রতি কিশোর-কিশোরীদের (টিনএজার) আকর্ষণ একধাক্কায় অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

‘অ্যাসোসিয়েশন অফ রেডিয়ো অপারেটরস ফর ইন্ডিয়া’-র তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার সময় কিশোরী-কিশোরীদের মধ্যে রেডিয়োর জনপ্রিয়তা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বভাবতই তাঁদের লক্ষ্য করে রেডিয়োয় বিজ্ঞাপনও ‘অভূতপূর্বভাবে’ বেড়েছে। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, করোনার সময় কিশোরী-কিশোরীদের (টিন সেগমেন্ট লিসেনারশিপ বা টিএসএল) রেডিয়ো শোনার প্রবণতা দেশের চার মহানগরেই বৃদ্ধি পেয়েছে। অভাবনীয় ৭২ শতাংশ টিএসএল বেড়েছে কলকাতায়। মুম্বই, দিল্লি ও বেঙ্গালুরুতে সেই প্রবণতা বেড়েছে যথাক্রমে ৫০, ৩৫ এবং ৩৪ শতাংশ।

তবে শুধু কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে নয়, করোনার সময় সার্বিকভাবেই রেডিয়োর প্রতি মানুষের ঝোঁক ভালোমতো বেড়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের ছয় মেট্রো শহরের ৮২ শতাংশ মানুষ এফএম রেডিয়োর অনুষ্ঠান শুনেছেন। যা কিনা একলপ্তে ২২ শতাংশ বেড়েছে। শোনার সময়ও ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি কাগজ, টেলিভিশন ও রেডিয়োর মধ্যে এফএম রেডিয়ো সবথেকে ভরসাযোগ্য মিডিয়া হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ধরেছে।

রেডিয়োর এই অভূতপূর্ব উত্থান প্রসঙ্গে ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ রেডিয়ো অপারেটরস ফর ইন্ডিয়া’-র সভাপতি অনুরাধা প্রসাদ বলেন, ‘এটা একেবারেই বিস্ময়কর নয় যে অন্যান্য অংশের মতো কিশোর-কিশোরীদের রেডিয়োয় অংশগ্রহণ অভূতপূর্বভাবে বেড়েছে। কিশোর-কিশোরীরাই হলেন ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমি নিশ্চিত যে সময়ের সঙ্গে রেডিয়ো শোনার প্রবণতা ক্রমশ বাড়বে। কারণ হাঁটা হোক, খেলা হোক, বাইকিং বা পড়াশোনা হোক, অধিকাংশ কাজ করার সময়ে রেডিয়োও শুনতে পারেন অত্যন্ত সক্রিয় কিশোর-কিশোরীরা। শ্রোতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞাপনও অবশ্যই বাড়ে।’

বন্ধ করুন