বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Ice sheet in Greenland: গ্রিনল্যান্ডের বৃহৎ বরফ স্তর গত ১০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ এবার

Ice sheet in Greenland: গ্রিনল্যান্ডের বৃহৎ বরফ স্তর গত ১০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ এবার

গ্রিনল্যান্ডের বৃহৎ বরফ স্তর। ছবি চ্যানেল আই

গবেষকরা বছরের পর বছর ধরে গ্রিনল্যান্ডের বরফের স্তর নিয়ে গবেষণা করছেন এবং বুধবার তারা নেচার জার্নালে তাদের ফলাফল প্রকাশ করেন। তারা আরও সতর্ক করে বলেন গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলে যাওয়ায় সারা বিশ্বের উপকূলীয় শহরগুলিকে বিপদে ফেলতে পারে।

বিশ্ব জলবায়ু ব্যবস্থায় বড় ভূমিকা রাখা গ্রিনল্যান্ডের বৃহৎ বরফ স্তর গত ১০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ তাপমাত্রার সম্মুখীন হয়েছে। একটি সমীক্ষায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। জার্মানির আলফ্রেড ওয়েজেনার ইনস্টিটিউট দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায় গ্রিনল্যান্ডের বিশাল বরফের স্তরটিকে ১০০ ফুট পর্যন্ত ড্রিল করে পরীক্ষা করার পর এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গবেষণা তথ্যে প্রকাশ, গ্রিনল্যান্ডের বরফের শীট এবং হিমবাহের গভীর থেকে নেওয়া নমুনাগুলি যথেষ্ট উষ্ণ।

গবেষকরা বছরের পর বছর ধরে গ্রিনল্যান্ডের বরফের স্তর নিয়ে গবেষণা করছেন এবং বুধবার তারা নেচার জার্নালে তাদের ফলাফল প্রকাশ করেন। তারা আরও সতর্ক করে বলেন গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলে যাওয়ায় সারা বিশ্বের উপকূলীয় শহরগুলিকে বিপদে ফেলতে পারে।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০ শতকের গড় থেকে তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। গ্রিনল্যান্ড প্রতি দশকে ট্রিলিয়ন টন বরফ হারাচ্ছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৭ মিটার বাড়ানোর মতো পর্যাপ্ত জল রয়েছে সেখানে। সমীক্ষায় আরও দেখা যায় যে সাম্প্রতিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য মানব সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণতাই দায়ী।

গবেষণার প্রধান লেখক এবং আলফ্রেড ওয়েজেনার ইনস্টিটিউটের সদস্য গ্ল্যাসিওলজিস্ট মারিয়া হোরহোল্ড সিএনএনকে জানান, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধিতে গ্রিনল্যান্ড সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করে এবং যদি আমরা এখনকার মতো কার্বন নিঃসরণ অব্যাহত রাখি, তাহলে ২১০০ সালের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত অবদান রাখবে এবং এটি উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারী লাখ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করবে।

একটি কঠোর সতর্কবার্তায় বুধবার দুজন জলবায়ু বিশেষজ্ঞ বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, মানুষের কার্যকলাপ পৃথিবীকে একটি বিপজ্জনক জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে এবং মানবতার ভবিষ্যত এবং আমাদের গ্রহকে রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনটি চ্যানেল আই থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন