বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'আর আন্দোলন কেন?' মামলা প্রত্যাহারের ‘দায়িত্ব’ রাজ্যের, কৃষকদের ফিরতে বললেন তোমর
কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (ছবি সৌজন্যে এএনআই) (ANI )
কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (ছবি সৌজন্যে এএনআই) (ANI )

'আর আন্দোলন কেন?' মামলা প্রত্যাহারের ‘দায়িত্ব’ রাজ্যের, কৃষকদের ফিরতে বললেন তোমর

  • ন্যূনতম সহয়াক মূল্য নিয়ে গঠিত কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব থাকবে কৃষক সংগঠনগুলির, জানালেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর শনিবার জানান, ন্যূনতম সহয়াক মূল্য (এমএসপি) ব্যবস্থা সহ বেশ কয়েকটি সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত কমিটিতে কৃষক ইউনিয়নগুলিরও প্রতিনিধিত্ব থাকবে। তোমর আরও বলেন, 'তিনটি কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণার পর কৃষকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনও মানে নেই। আমি কৃষকদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে তাঁরা আন্দোলন শেষ করে বাড়ি ফিরে যান।'

এদিকে এমএসপি ছাড়াও কৃষকদের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সেই দাবির প্রেক্ষিতে নরেন্দ্র সিং তোমরের বক্তব্য, 'প্রতিবাদের সময় নথিভুক্ত করা মামলাগুলি তো রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারের অধীনে আসে এবং এই বিষয়ে চূড়ান্ত তারা সিদ্ধান্ত নেবে। রাজ্য সরকারগুলি তাদের রাজ্য নীতি অনুসারে ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবে।'

তোমর বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শস্য বৈচিত্র্য, জিরো-বাজেট চাষ এবং এমএসপি ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ এবং কার্যকর করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই কমিটিতে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি থাকবেন। এই কমিটি গঠনের ফলে এমএসপি নিয়ে কৃষকদের দাবি পূরণ হয়েছে।'

আগামী ২৯ নভেম্বর শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। ওইদিনই কৃষি পণ্যের উপর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে সংসদ অভিযানে সামিল হওয়ার কথা ছিল ৬০টি ট্র্যাক্টরের। এর আগে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কৃষি আইন বাতিলের প্রস্তাব গৃহীত হয়। তবে কৃষি আইন প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষিত হওয়ার পরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন কৃষকরা। তবে এই প্রথম সরকারি আশ্বাসে কিছুটা নরম হলেন বিক্ষোভরত কৃষকরা।

বন্ধ করুন