বাংলা নিউজ > ছবিঘর > ঝড়ঝাপটা সত্ত্বেও বাংলায় সরকার গড়ার দৌড়ে এগিয়ে তৃণমূলই, পিছিয়ে BJP : সমীক্ষা

ঝড়ঝাপটা সত্ত্বেও বাংলায় সরকার গড়ার দৌড়ে এগিয়ে তৃণমূলই, পিছিয়ে BJP : সমীক্ষা

  • কোথাও টিকিট না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নেতা। কোথাও তো প্রার্থী না হওয়ায় শিবির বদলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন নেতা, বিদায়ী বিধায়করা। তার জেরে যত নির্বাচন এগিয়ে আসছে, তৃণমূল কংগ্রেসের রক্তচাপ তত বাড়ছে। তারইমধ্যে টাইমস নাও-সি ভোটার সমীক্ষায় তৃণমূলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দৌড়ে এগিয়ে রাখা হল। সেই সমীক্ষায় কোন দলের ঝুলিতে কত আসন গিয়েছে, তা দেখে নিন একনজরে -
সমীক্ষার নিরিখে এখনও পর্যন্ত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দৌড়ে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১৫৭ টির মতো আসন পেতে পারে ঘাসফুল শিবির। আর বাংলায় ম্যাজিক ফিগার হল ১৪৭। (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
1/7সমীক্ষার নিরিখে এখনও পর্যন্ত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দৌড়ে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১৫৭ টির মতো আসন পেতে পারে ঘাসফুল শিবির। আর বাংলায় ম্যাজিক ফিগার হল ১৪৭। (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
সমীক্ষা অনুযায়ী, ৪২.২ শতাংশ ভোট পেতে পারে তৃণমূল। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে ২১১ টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৫ শতাংশের মতো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
2/7সমীক্ষা অনুযায়ী, ৪২.২ শতাংশ ভোট পেতে পারে তৃণমূল। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে ২১১ টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৫ শতাংশের মতো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
২০১৬ সালের তুলনায় বিজেপির আসন সংখ্যা একলাফে অনেকটা বাড়তে পারে। সমীক্ষা অনুযায়ী, এবার ১০৭ টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। প্রাপ্ত ভোট বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৩৭.৫ শতাংশ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
3/7২০১৬ সালের তুলনায় বিজেপির আসন সংখ্যা একলাফে অনেকটা বাড়তে পারে। সমীক্ষা অনুযায়ী, এবার ১০৭ টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। প্রাপ্ত ভোট বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৩৭.৫ শতাংশ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
সমীক্ষা অনুযায়ী, বাম, কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের ঝুলিতে যেতে পারে মেরেকেটে ৩৩ টি আসন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
4/7সমীক্ষা অনুযায়ী, বাম, কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের ঝুলিতে যেতে পারে মেরেকেটে ৩৩ টি আসন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
তবে সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজ্যের ৮৯ টি আসনে জয়ের ব্যবধান অত্যন্ত কম। এতটাই কম যে মাত্র ১.৫ শতাংশ ভোটের হেরফেরে জয়ী প্রার্থী বদলে যেতে পারেন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য কেশব সিং/হিন্দুস্তান টাইমস)
5/7তবে সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজ্যের ৮৯ টি আসনে জয়ের ব্যবধান অত্যন্ত কম। এতটাই কম যে মাত্র ১.৫ শতাংশ ভোটের হেরফেরে জয়ী প্রার্থী বদলে যেতে পারেন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য কেশব সিং/হিন্দুস্তান টাইমস)
সমীক্ষা অনুযায়ী, ওই ৮৯ টি আসনের মধ্যে ৪২ টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল। ৩৬ টি আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি। এরকম ১১ টি আসনে এগিয়ে আছে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
6/7সমীক্ষা অনুযায়ী, ওই ৮৯ টি আসনের মধ্যে ৪২ টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল। ৩৬ টি আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি। এরকম ১১ টি আসনে এগিয়ে আছে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
তবে সমীক্ষার যে ফল বেরিয়েছে, তা যে পুরোপুরি মিলে যাবে, সেরকম মোটেও নয়। তাই রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে। সেক্ষেত্রে কিংমেকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট। তাতে অবশ্য অনেকেই বিধায়ক ‘কেনাবেচার’ ভ্রূকূটি দেখতে পাচ্ছেন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
7/7তবে সমীক্ষার যে ফল বেরিয়েছে, তা যে পুরোপুরি মিলে যাবে, সেরকম মোটেও নয়। তাই রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে। সেক্ষেত্রে কিংমেকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট। তাতে অবশ্য অনেকেই বিধায়ক ‘কেনাবেচার’ ভ্রূকূটি দেখতে পাচ্ছেন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
অন্য গ্যালারিগুলি