বাংলা নিউজ > ময়দান > চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তৈরি হতে চলেছে একাধিক নজির, এই তথ্যগুলি জানেন কি?
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। ছবি- চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। ছবি- চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তৈরি হতে চলেছে একাধিক নজির, এই তথ্যগুলি জানেন কি?

  • রিয়াল মাদ্রিদকে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ২-০ হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে চেলসি। ইস্তানবুলে তাঁরা মুখোমুখি হবেন স্বদেশীয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটির।

রিয়াল মাদ্রিদকে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ২-০  হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে চেলসি। ইস্তানবুলে তাঁরা মুখোমুখি হবেন স্বদেশীয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটির। এই ফাইনালে ঘিরে তৈরি হতে চলেছে একাধিক নজির। একবার দেখে নেওয়া যাক সেইগুলি কী কী।

১. ২০১৯ সালের পর আবারও ফাইনালে মুখোমুখি একই দেশের দুই ক্লাব। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার দুই ইংরেজ দল (কোন দেশের বিচারে যুগ্ম সর্বাধিক) ও অষ্টমবার একই দেশের দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে।

২. প্রথম ম্যানেজর হিসাবে থমাস টুশেল পরপর দুই মরশুমে দু'টি ভিন্ন ক্লাবকে টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। গত মরশুমে তিনি প্যারিস সাঁ-জাকে ফাইনালে পৌঁছে দিলেও জয় অধরাই ছিল, এ বার ভাগ্য বদলানোর আশায় মাঠে নামবেন জার্মান কোচ।

৩. জার্মান কোচ হিসাবেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নজির গড়লেন টুশেল। এই নিয়ে টানা চারবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে দেখা মিলবে এক জার্মান কোচের। গত দুইবার ট্রফিও তুলেছে জার্মান কোচেদের দলই। টুশেল তৃতীয় জার্মান হিসাবে ট্রফি তুলতে সক্ষম হন কি না সেটাই দেখার।

৪. পুরুষ বিভাগের পাশাপাশি মহিলাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালেও দেখা চেলসিকে। চেলসির মহিলা দল মুখোমুখি হবে বার্সেলোনার। এই প্রথম একই ক্লাবের পুরুষ ও মহিলা দল উভয়ই একই মরশুমে ইউরোপের সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টের শিরোপা অর্জনের জন্য মাঠে নামবে।

৫. এই নিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে মাঠে নামবে চেলসি। আশ্চর্যজনকভাবে তিনবারই মাঝ মরশুমে নিজেদের ম্যানেজার বদলে ফেলে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি। ২০০৭-০৮ মরশুমে হোসে মরিনহোর বদলে অ্যাভ্রাম গ্র্যান্ট, ২০১১-১২ সালে আন্দ্রে ভিয়াস-বোয়াসের বদলে রবার্তো দি মাতেও এবং এই মরশুমে ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের বদলে মাঝ মরশুমে ব্লুজের রিমোট কন্ট্রোল ওঠে টুশেলের হাতে।

৬. ইস্তানবুল আর ইউরোপের ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনাল মানেই ট্রফি ফেরা ব্রিটিশদের দেশে। ২০০৫ সালে লিভারপুলের সেই ঐতিহাসিক ফাইনাল সবার মনেই আজও তাজা। এরপর ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার পর ইউয়েফা সুপার কাপও ঘরে তোলে লিভারপুল। ঘটনাক্রমে সেইবারও মুখোমুখি হয়েছিল দুই ইংলিশ দলই। রেডসদের বিপক্ষে ছিল চেলসির ব্লুজরাই।

বন্ধ করুন