বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর বিরাটের মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি, তত্‍পর মহিলা কমিশন
বিরাট কোহলি, ভামিকা এবং অনুষ্কা শর্মা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম anushkasharma)
বিরাট কোহলি, ভামিকা এবং অনুষ্কা শর্মা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম anushkasharma)

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর বিরাটের মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি, তত্‍পর মহিলা কমিশন

  • স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করল দিল্লি মহিলা কমিশন।

বিরাট কোহলির মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করল দিল্লি মহিলা কমিশন। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনারের কাছে অভিযুক্তের পরিচয় চাওয়া হল। সেইসঙ্গে কী কী ব্যবস্থা হয়েছে, তাও বিস্তারিতভাবে জানানোর নির্দেশ দিল কমিশন।

গত ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের শোচনীয় পরাজয়ের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন কোহলিরা। আক্রমণ থেকে বাদ যাননি ভারতীয় ক্রিকেটারদের পরিবারের সদস্যরাও। বিরাট এবং অনুষ্কা শর্মার নয় মাসের মেয়েকেও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তা নিয়ে বেশিjভাগই নেটিজেনেই প্রতিবাদ করেছেন।

তারইমধ্যে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করেছে দিল্লি মহিলা কমিশন। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনারের অভিযুক্তের পরিচয়-সহ যাবতীয় তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে পুলিশকে জানাতে হবে যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমনিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের আক্রমণ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন বিরাট। পাকিস্তান ম্যাচের পর মহম্মদ শামি এবং অন্যান্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের যে ধরনের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল, তা নিয়ে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বলেছিলেন, ‘কেন আমরাই মাঠে নেমে খেলছি এবং সোশ্যাল মিডিয়ার একগুচ্ছ মেরুদণ্ডহীন লোক (সেটা পারছেন না), তার একটি যথার্থ কারণ আছে। যাঁদের কোনও ব্যক্তির মুখোমুখি হয়ে কথা বলার সাহস নেই। নিজেদের চেনা জায়গায় লুকিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকের দিকে ধেয়ে আসেন। এটা আজকের দুনিয়ার বিনোদনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এনং দুঃখজনক। কোনও মানুষের মানসিকতা এটার থেকে আর নীচে নামতে পারে না। এভাবেই আমি এই লোকগুলোকে দেখি।'

সঙ্গে বিরাট আরও বলেছিলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে আমরা জানি যে মাঠে আমাদের কী করতে হবে। চারিত্রিক এবং মানসিক দৃঢ়তা আছে আমাদের। আমরা মাঠে যা করছি, তা দূরদূরান্ত থেকেও এইসব লোকগুলো ভাবতে পারবেন না। এটা (মাঠে নেমে খেলা এবং ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার) সাহস এবং মেরুদণ্ড নেই ওঁদের। এভাবেই আমি বিষয়টা দেখি। আর বাইরে যে নাটক তৈরি হয়েছে, তা পুরোপুরি লোকেদের হতাশা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, সহানুভূতির অভাবেব কারণে হয়েছে। তাই ওঁরা লোকেদের দিকে ধেয়ে আসতে ভালোবাসেন। দল হিসেবে আমরা জানি যে কীভাবে এককাট্টা হয়ে থাকতে হবে, কীভাবে প্রত্যেককে ভরসা জোগাতে হবে, কীভাবে নিজেদের শক্তিতে মনোযোগ দিতে হবে। ভারত কোনও ম্যাচ হারতে পারে না বলে বাইরের লোকজন কী ভাবছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। আমি খেলাধুলো করি। আমি জানি, সেই খেলাধুলো কেমন হয়। বাইরের লোকজন কী ভাবেন, তাতে আমাদের দলের কোনও যায়ে আসে না। আমরা কখনও সেটা মনোযোগ দিইনি। ভবিষ্যতেও সেটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাব না। আমি আগেও বলেছি যে আন্তর্জাতিক স্তরে খেলার বিষয়টি আলাদা।’

বন্ধ করুন