বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > হার্দিককে অধিনায়ক করে ২০২৪-এর প্রস্তুতি এখনই শুরু করা উচিত- বার্তা শ্রীকান্তের

হার্দিককে অধিনায়ক করে ২০২৪-এর প্রস্তুতি এখনই শুরু করা উচিত- বার্তা শ্রীকান্তের

হার্দিক পান্ডিয়া এবং কৃষ্ণমাচারিয়া শ্রীকান্ত।

হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পক্ষে ইতিমধ্যে সওয়াল করেছেন সুনীল গাভাসকার থেকে শুরু করে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার। এ বার গাভাসকারদের সুরে সুর মেলালেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তও।

দুই বছর পর ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকায় সেই আসর বসবে। ২ বছর পর বিশ্বকাপে দলে অনেক পরিবর্তন তো হবে। রোহিত শর্মার খেলার সম্ভাবনা থাকবে না বললেই চলে। কারণ তাঁর বয়স এখনই ৩৫। ২ বছর পর তাঁর ৩৭ হয়ে যাবে। বিরাট কোহলির অবশ্য ৩৪ বছর। তবে দুই বছর পর তিনি কেমন ফর্মে থাকেন, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। ২ বছর পর ভুবনেশ্বর কুমার, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, মহম্মদ শামি, দীনেশ কার্তিকের মতো ক্রিকেটারদেরও পরের বিশ্বকাপে দেখতে পাওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন: টেস্টে এটাই আমার শেষ ১২ মাস- লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসরের ইঙ্গিত ওয়ার্নারের

আর রোহিতের খেলার সম্ভাবনা কার্যত না থাকলে, অধিনায়কও নতুন বাছতে হবে। রোহিতের জায়গায় হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পক্ষে ইতিমধ্যে সওয়াল করেছেন সুনীল গাভাসকার থেকে শুরু করে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার। এ বার গাভাসকারদের সুরে সুর মেলালেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তও। তিনিও বলেছেন, ২০২৪ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখনই হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে ভারতের টি-টোয়েন্টি গলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া উচিত।

স্টার স্পোর্টসের ‘‌ম্যাচ পয়েন্ট’‌ শো–তে কথা বলার সময় শ্রীকান্ত বলেন, ‘‌আমি যদি নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হতাম, তা হলে বলতাম যে, হার্দিক পান্ডিয়াকে ২০২৪ বিশ্বকাপের অধিনায়ক করা উচিত। অধিনায়ক করার জন্য আমি ওকেই এক নম্বরে রাখতাম।’‌

আরও পড়ুন: বাবর কি লেগস্পিন খেলতে পারেন না? শোয়েবের কথায় উঠল প্রশ্ন

এখানেই থেমে থাকেননি শ্রীকান্ত। তিনি খুব শীঘ্রই হার্দিকের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়ার কথাও বলেছেন, শ্রীকান্তের দাবি, ‘‌এক সপ্তাহের মধ্যেই নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে ভারত। এখন থেকেই ২০২৪ বিশ্বকাপের জন্য দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু করা উচিত। বুঝতে হবে, ২ বছর পরেই বিশ্বকাপ। এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি ট্রায়ালের দরকার হয়, তাই করতে হবে। এক বছরের মধ্যে যা করার করতে হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে দল তৈরি করে ফেলতে হবে। তার পর এক বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাও।’‌

বন্ধ করুন