বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > যোগী সরকারের অভ্যর্থনায় তাজ্জব অলিম্পিক্সজয়ীরা
অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ ও নীরজ চোপড়া। ছবি- এএনআই।
অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ ও নীরজ চোপড়া। ছবি- এএনআই।

যোগী সরকারের অভ্যর্থনায় তাজ্জব অলিম্পিক্সজয়ীরা

  • বৃহস্পতিবার একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টোকিও ফেরত অ্যাথলিটদের অভ্যর্থনা জানায় উত্তরপ্রদেশ সরকার।

টোকিও অলিম্পিক্সে সাফল্যের লাভের পর দেশে ফেরার পর থেকেই উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভাসছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। বৃহস্পতিবার (১৯ অগস্ট) উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ভারতের কৃতি অ্যাথলিটদের পুরস্কৃত করা ও সম্মান জানানো হয়।

একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি গর্ভনর আনন্দিবেন প্যাটেল, ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা এবং কেশব প্রসাদ মৌর্য অনুষ্ঠানে অ্যাথলিটদের মেডেল দিয়ে পুরস্কৃত করেন। তবে মেডেলের পাশপাশি ছিল আর্থিক পুরস্কারও।

সোনার ছেলে নীরজ চোপড়াকে দুই কোটি টাকা ও রুপোজয়ী রবি কুমার দাহিয়া ও ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানুকে দেড় কোটি টাকা পুরস্কারমূল্য দেওয়া হয়। ব্রোঞ্জ জয়ী দুই অ্যাথলিট লভলিনা বরগোহাঁই ও বজরং পুনিয়ার জন্য ছিল এক কোটি টাকার পুরস্কার মূল্য়। পাশপাশি পুরুষ ও মহিলা হকি দলের ৩২ জন সদস্যর প্রত্যেককে ৫০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। দীপক পুনিয়া ও অদিতি অশোককেও একই পরিমাণ আর্থিক পুরস্কারমূল্য দেওয়া হয়।

এখানেই শেষ নয় পুরস্কারমূল্য ছিল টোকিওর ভারতীয় দলের সঙ্গে থাকা সাপোর্ট স্টাফদের জন্যও। মীরাবাঈয়ের কোচ বিজয় শর্মা ও হকি দলের সাপোর্ট স্টাফদের ১০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভূমিসন্তান ব্রোঞ্জ জয়ী হকি পুরুষ দলের সদস্য ললিত কুমার উপাধ্যায়কে ১.২৫ কোটি ও মহিলা হকি দলের তারকা বন্দনা কাটারিয়াকে ৭৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।

তবে বেশিরভাগ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই শুধুমাত্র বিজেতাদেরই সম্মানিত করা হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকার কিন্তু এমনটা করেনি। পূর্বনির্ধারিত কথা অনুযায়ী সীমা পুনিয়া, সতীশ কুমারসহ রাজ্যর আট অ্যাথলিট, যারা পোডিয়ামে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হন, তাঁদেরকেও ২৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়।

১০ হাজার খুদে অ্যাথলিটদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান তাক লাগিয়ে দেয় টোকিওয় দেশের নাম উজ্জ্বল করা অ্যাথলিটদের। নীরজ বলেন, 'আমি টোকিও গোল্ড মেডেল জয়ের পর ফাঁকা স্টেডিয়ামে একা একা দৌড়াচ্ছিলাম, তবে আজ আমি জনসাধারণের সাপোর্ট অনুভব করলাম। আমি আশা করছি গ্যালারিতে বসে কেউ না কেউ একদিন মেডেল জিতে উত্তরপ্রদেশের মান বাড়াবে।'

যোগী সরকারের এহেন অনুষ্ঠানে বাকরুদ্ধ হয়ে যান ব্রোঞ্জ জয়ী শাটলার পিভি সিন্ধুও। কোন রাখঢাক না করেই এই পুরস্কার বিতরণীকেই সেরার তকমা দেন তিনি। ‘ভারতীয় অ্যাথলিটদের এর থেকে বেশি সাপোর্ট অন্য কোন সরকার দেয়নি। আমি আশা করছি এইগুলি দেখে ভবিষ্যতে আরও অনেক অ্যাথলিট ভারতের হয়ে অলিম্পিক্সে মেডেল জিততে উদ্বুদ্ধ হবে।’ আশাবাদী সিন্ধু।

বন্ধ করুন