বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > RP Sanjeev Goenka Group: কয়লা খনি বন্টনে দুর্নীতির অভিযোগ, সিইএসসি’‌র বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই
কয়লা কাণ্ডে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই।

RP Sanjeev Goenka Group: কয়লা খনি বন্টনে দুর্নীতির অভিযোগ, সিইএসসি’‌র বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই

  • সিবিআই একটি এফআইআর করে। সেখানে বলা হয়েছে, কোম্পানির মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য পেশ করা হয়েছে। প্রথমে এই সংস্থা বলে, আরপিজি ইন্ডাস্ট্রিজ পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করবে। কয়লা মন্ত্রক এই সংস্থাকে কয়লা খনি বন্টন করে। পরে বলা হয় সিইএসসি পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করবে।

রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে তাজপুর বন্দর নির্মাণের বরাত দেওয়া হবে আদানি গোষ্ঠীকে। ঠিক তারপরই জানা গিয়েছে, তিন দশকের পুরনো কয়লা খনি বন্টন কাণ্ডে দুর্নীতির অভিযোগে আরপি–সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ এই সংস্থা একচেটিয়া ব্যবসা করে থাকে। সেখানে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আবার সিবিআই তদন্ত। সবমিলিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?‌ সূত্রের খবর, আরপি–সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপকে তিন খনি বন্টন করা হয়েছিল ১৯৯৩–৯৫ সালে। বাংলায় তখন বামফ্রন্ট সরকার। দেউচা পাঁচামি, মাহান এবং দক্ষিণ দাধু কয়লা ব্লক দেওয়া হয়েছিল তাদের। এখন বাংলার দেউচা পাঁচামি কয়লা খনি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভীষণ আগ্রহী। এমনকী ওই খনি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে আদানি গোষ্ঠীরও। এই খনি বন্টনের বিষয় নিয়ে ২০১২ সালে মনমোহন সিং জমানায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিল সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশন। এই তিনটি খনি দেওয়া হয়েছিল আরপিজি ইন্ডাস্ট্রিজ, আরপিজি এন্টারপ্রাইজ এবং কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশনকে। সেখানেই দুর্নীতি রয়েছে বলে সিবিআই আবার তদন্ত শুরু করেছে।

ঠিক কী জানা যাচ্ছে?‌ সিবিআই সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আরপিজি ইন্ডাস্ট্রিজ কয়লা মন্ত্রকের কাছে খনির জন্য আবেদন করেছিল। তখন সারিসটোলি কয়লা খনি তাদের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৩ সালে সিইএসসি কয়লা মন্ত্রকের কাছে আবার আবেদন করে, পাশের খনিও তাদের দেওয়া হোক। কারণ, সারিসতোলিতে পর্যাপ্ত কয়লা পাওয়া যায়নি। তখনই সারিসতোলি, তারা এবং দেউচা পাঁচামি ব্লক চিহ্নিত করা হয়।

এফআইআর–এ কী বলা হয়েছে?‌ সিবিআই একটি এফআইআর করে। সেখানে বলা হয়েছে, কোম্পানির মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য পেশ করা হয়েছে। প্রথমে এই সংস্থা বলে, আরপিজি ইন্ডাস্ট্রিজ পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করবে। কয়লা মন্ত্রক এই সংস্থাকে কয়লা খনি বন্টন করে। পরে বলা হয় সিইএসসি পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করবে। এরপর ১৯৯৫ সালে আরপিজি এন্টারপ্রাইজ রাজস্থানের ঢোলপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির জন্য মাহান কোল ব্লক চেয়ে আবেদন করে। আর সেখানেও ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয় দুটি কোম্পানির নামে—আরপিজি এন্টারপ্রাইজ এবং সিইএসসি। আর শেষে সিইএসসি রাজস্থান বিদ্যুৎ বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলে। অথচ কয়লা খনি বন্টন করা হয়েছিল আরপিজি এন্টারপ্রাইজকে। এই দুর্নীতি হয়েছে বলে এফআইআর করা হয়েছে।

বন্ধ করুন