বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > করোনা-কাঁটা! আগামিকাল থেকে টলিগঞ্জে বন্ধ হচ্ছে সিরিয়াল-সিনেমার শ্যুটিং
ফের ঝাপ বন্ধ স্টুডিওপাড়ায়?
ফের ঝাপ বন্ধ স্টুডিওপাড়ায়?

করোনা-কাঁটা! আগামিকাল থেকে টলিগঞ্জে বন্ধ হচ্ছে সিরিয়াল-সিনেমার শ্যুটিং

  • রবিবার থেকে রাজ্যজুড়ে কার্যত লকডাউন। ফের ঝাঁপ বন্ধ হচ্ছে টলিপাড়ার। 

রাজ্য জুড়ে আগামিকাল থেকে কার্যত লকডাউন। একমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে জনজীবন। পশ্চিমবঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। সেই পরিস্থিতিতে রবিবার সকাল ছ'টা থেকে আগামী ৩০ মে সন্ধ্যা ছ'টা পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউন জারি করা হল। সরকারের তরফে জারি নির্দেশিকায় শ্যুটিং নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি তবে বন্ধ থাকবে সব যান চলাচল। একমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত গাড়ি চলবে, জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন। স্বভাবতই প্রশ্ন হল, এই পরিস্থিতিতে কি শ্যুটিং সম্ভব? 

সিনেমা হল বন্ধ, বিনোদনমূলক জমায়েতও বন্ধ। তাই সূত্রের খবর আগামিকাল থেকেই তালাবন্ধ হচ্ছে স্টুডিওপাড়ার। এই প্রসঙ্গে ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস জানান, ‘কিছুক্ষণ আগেই আমাদের চিফ সেক্রেটারি নবান্ন থেকে যে নির্দেশিকা জারি করেছেন যে শুধু জরুরি পরিষেবা খোলা থাকবে। সেই প্রেক্ষিতেই আমরা অনুধাবন করলাম কোভিড পরিস্থিতি যেভাবে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, সেটার কথা মাথায় রেখে আমরা শ্যুটিং বন্ধ করবার সিদ্ধান্ত নিলাম’। তিনি জানান, আমরা সবসময়ই সরকারের পাশে ছিলাম, গোটা দেশের করোনা পরিস্থিতির যা অবস্থা, সেখানে সরকারের হাতে আর কোনও রাস্তা খোলা নেই'।  আগামি ৩০ তারিখ পর্যন্ত স্টুডিওপাড়ায় সবরকম শ্যুটিং বন্ধ থাকছে। সরকারের পরবর্তী নির্দেশিকা মেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

প্রযোজক, চ্যানেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইন্ডাস্ট্রির তরফে। এই প্রসঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামের অন্যতম সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আপৎকালীন ও জরুরি পরিষেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রাইভেট গাড়ির যাতায়াতও বন্ধ থাকছে, তখন শুটিং বন্ধ হওয়াটাই স্বাভাবিক। যদিও এখনও কোনও অফিশিয়াল নির্দেশ এসে পৌঁছায়নি।তবে এই পরিস্থিতিতে শিল্পী-কলাকুশলীরা তো শ্যুটিং ফ্লোরে পৌঁছতেই পারবেন না'। 

মহারাষ্ট্রেও লকডাউন জারি থাকায়, সিরিয়ালের শ্যুটিং সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজস্থান কিংবা দক্ষিণের বেশ কিছু রাজ্যে। যদিও বাংলা সিরিয়ালের ক্ষেত্রে তেমনটা হওয়া সম্ভব নয়। আগামি ১৫ শ্যুটিং বন্ধ থাকলে, চ্যানেলের কাছে সিরিয়ালগুলির কতদিনের এপিসোড জমা করা রয়েছে তার উপরই নির্ভর করবে কতদিন দর্শক দেখতে পাবে ‘মিঠাই’, ‘খড়কুটো’ কিংবা ‘শ্রীময়ী’র নতুন এপিসোড। না হলে, গত বছরের মতোই সিরিয়ালের পুরোনো এপিসোড কিংবা পুরোনো সিরিয়াল চালিয়েই স্লট ভরতে বাধ্য হবেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। 

 

 

বন্ধ করুন