নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে হংকঙের খোলা বাজারে মাস্ক পরে ঘুরছেন বাসিন্দারা। ছবি সৌজন্যে এপি। (AP)
নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে হংকঙের খোলা বাজারে মাস্ক পরে ঘুরছেন বাসিন্দারা। ছবি সৌজন্যে এপি। (AP)

করোনাভাইরাসের জেরে বিশ্বনজরে একঘরে চিন, মৃত বেড়ে ৫৬৩

  • সম্প্রতি চিন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না বেশ কয়েকটি দেশ। চিনের কোনও শহরে পরিষেবা দিতে রাজি হচ্ছে না আন্তর্জাতিক উড়ান সংস্থাগুলি। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ম্যাকাউয়ের ক্যাসিনোগুলির উপরে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে কার্যত বিশ্বের নজরে একঘরে হয়ে পড়েছে চিন। বুধবার মাঝরাত পর্যন্ত পাওয়া হিসেবে, চিনে এই সংক্রমণের জেরে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬৩-তে এবং অসুস্থ হয়েছেন মোট ২৮ জানার মানুষ।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দুই ডজনের বেশি দেশে এই ভয়াবহ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন দেড়শো জনের অধিক মানুষ। এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে চিনের বাইরে মারা গিয়েছেন ২ জন। ঘটনার জেরে সম্প্রতি চিন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না বেশ কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে চিনা নাগরিক ছাড়াও রয়েছেন অন্য দেশের মানুষও।


আরও পড়ুূন: জ্বর সারছে না, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি হলেন যুবক


সংক্রমণ রুখতে চিন থেকে আগত সমস্ত যাত্রীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক আইসোলেশন শিবিরে থাকার নির্দেশ জারি করেছে হংকং। অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে পর্যটক সমাগমের জন্য বিখ্যাত ম্যাকাউয়ের ক্যাসিনোগুলির উপরে। চিনের কোনও শহরে পরিষেবা দিতে রাজি হচ্ছে না আন্তর্জাতিক উড়ান সংস্থাগুলি।

চিনে প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। বুধবার ফের আগের রেকর্ড মুছে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬৩ তে। সংক্রামিত হয়েছেন মোট ২৮,০১৮ জন। এর মধ্যে সবচেযে খারাপ অবস্থা চিনের হুবেই প্রদেশে। বুধবার হুবেইতে সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯,৬৬৫তে এবং সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৫৪৯ জনের।

হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গৃহবন্দি রয়েছেন ২০,৬২৯ জন। এ পর্যন্ত শহরে মোট ৮,৩৫১ জন বাসিন্দা এই জীবাণুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য দফতর।

নোভেল করোনাভাইরাস-কে ‘আন্তর্জাতিক বিপদ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’। তবে এখনও পর্যন্ত তাকে মহামারী আখ্যা দেয়নি আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।মঙ্গলবার হু-এর তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত আন্তর্জাতিক স্তরে কর্মরত পর্যটন সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করে মারণভাইরাস রুখবার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে পর্যটক এবং সংস্থার কর্মীদের রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা।

বন্ধ করুন