বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অক্সিজেন ট্যাঙ্কের লুঠ করছে দিল্লি, করোনা আবহে বিস্ফোরক অভিযোগ হরিয়ানার
হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ (ফাইল ছবি)
হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ (ফাইল ছবি)

অক্সিজেন ট্যাঙ্কের লুঠ করছে দিল্লি, করোনা আবহে বিস্ফোরক অভিযোগ হরিয়ানার

  • করোনা আবহে অক্সিজেন নিয়ে দিল্লি-হরিয়ানা দ্বন্দ্ব তুঙ্গে।

করোনা আবহে অক্সিজেন নিয়ে দিল্লি-হরিয়ানা দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এদিন দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে অক্সিজেন লুঠ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ। তবে এরই মাঝে করোনা রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, বেড আর ওষুধ যথেষ্ট পরিমাণে মজুত আছে ঘোষণা করে মানুষকে ভরসা জুগিয়েছেন তিনি।

এদিন দিল্লি সরকারকে তোপ দেগে অনিল ভিজ দাবি করেন, 'আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে অক্সিজেন দিয়ে দেওয়ার জন্য। আগে আমরা নিজেদের চাহিদা মেটাব, তারপর অন্যদের চাহিদা মেটাব। গতকাল আমাদের ফরিদাবাদগামী একটি অক্সিজেন ট্যাঙ্কার লুঠ করেছে দিল্লি সরকার। এখন থেকে আমি সব ট্যাঙ্কারের সাথে পুলিশি পাহাড়ার ঘোষণা করছি।' 

এদিকে করোনা আবহে দেশজুড়ে চরম দুরবস্থা চললেও রাজ্যবাসীর জন্য আশার বাণীই শোনান হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গতকালই আন্দোলনরত কৃষকদের কাছে চিকিসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, 'প্রত্যেক দু'দিনে আমাদের চিকিৎসকরা কৃষকদের পরীক্ষা করবেন। তাঁদের প্রয়োজনীয় কিট, ওষুধ, অক্সিমিটার দেওয়া হচ্ছে।'

দেশের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতেও দিল্লির সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ জারি রেখেছে রয়েছেন কৃষকরা। সেখানে বিক্ষোভরত কৃষকদের অনেকেই হরিয়ানার বাসিন্দা। তাই তাঁদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ। সেই সব কৃষকদের করোনা টেস্টের, পাশাপাশি ভ্যাকসিনেশনের প্রস্তুতি নিতে ইতিমধ্যেই একটি দলও তৈরি করেছেন তিনি।

স্বাস্থ্য দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, হরিয়ানার বর্তমান অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি। আর তার বেশিরভাগই দিল্লির গুরগাঁও, ফরিদাবাদ, সোনিপাতের বাসিন্দা। তবে মোট অ্যাকটিভ রোগীর মধ্যে ৩০ হাজার রোগীকে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। মেডিক্যাল অক্সিজেনের অভাব বা তা নিয়ে কোনো কালোবাজারি হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে ড্রাগ আর পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

হরিয়ানায় করোনা সংক্রমণের কোনও রকম লক্ষণ দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে। রাজ্যের কোথাও কোনো ধর্মীয়, রাজনৈতিক আর সামাজিক জমায়েতের ক্ষেত্রে কড়া নিরাপত্তাবিধি মেনে চলতে হবে। কোনও আবদ্ধ জায়গায় ৫০ জন আর বাইরে কোথাও একসঙ্গে ২০০ জন পর্যন্ত মানুষকে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা করা হচ্ছে। এমনকি রাজ্যে যথেষ্ট পরিমাণে রেমডেসিভির ইনজেকশন আছে বলেও নিশ্চিত করেছেন অনিল।

 

বন্ধ করুন