বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দেড় মাসে প্রথমবার সক্রিয় করোনা আক্রান্ত নামল ৮ লাখের নীচে, সুস্থতা প্রায় ৮৮%
দেড় মাসে প্রথববার সক্রিয় করোনা আক্রান্ত নামল ৮ লাখের নীচে (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
দেড় মাসে প্রথববার সক্রিয় করোনা আক্রান্ত নামল ৮ লাখের নীচে (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

দেড় মাসে প্রথমবার সক্রিয় করোনা আক্রান্ত নামল ৮ লাখের নীচে, সুস্থতা প্রায় ৮৮%

  • সুস্থতার সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে।

দৈনিক করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকেই অনেকটাই কমেছে। তারইমধ্যে আরও আশার সঞ্চার করল সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা। যা গত দেড় মাসে প্রথমবার আট লাখের নীচে নামল। শনিবার একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

শনিবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭,৪৩২,৬৮১। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২,২১২ জন নয়া আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। একইসঙ্গে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৪৪১ কমে দাঁড়িয়েছে ৭৯৫,০৮৭। তাতেই আশার আলো দেখছে কেন্দ্র। সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা আট লাখের নীচে নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ‘উল্লেখযোগ্য মাইলস্টোন’ হিসেবেে চিহ্নিত করা হয়েছে।

টুইটারে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘একটি উল্লেখযোগ্য মাইলস্টোন পার করেছে ভারত। ১.৫ মাস পরে প্রথমবার সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা আট লাখের নীচে নেমেছে। মোট আক্রান্তের মাত্র ১০.৭ শতাংশের শরীরে এখনও করোনা আছে।’ সেই সঙ্গে সক্রিয় আক্রান্তের গ্রাফ কীভাবে নিম্নমুখী হয়েছে, তাও প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৮৫,৯৯৬। তারপর থেকে সেই সংখ্যাটা ক্রমশ বাড়ছিল। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই উত্থান বজায় থাকে। সেদিন দেশে সক্রিয় আক্রান্তের লংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১,০১৭,৭৪৫। তবে তারপর থেকে ক্রমশ কমেছে সক্রিয় আক্রান্ত। দৈনিক নয়া আক্রান্তের সংখ্যায় পতন এবং দৈনিক সুস্থতার হারে ভর করে ২৮ সেপ্টেম্বর সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ন'লাখের নীচে নেমে গিয়েছিল। সেই রেশ বজায় রেখে শনিবার সক্রিয় আক্রান্ত আট লাখের নীচে নেমে গিয়েছে।   

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সুস্থতার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। আপাতত ৬,৫২৪,৫৯৫ জন করোনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ৭০,৮১৬ জন। সবমিলিয়ে দেশে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭.৭৮ শতাংশ। মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘সুস্থতার হারের লাগাতার বৃদ্ধির সঙ্গে সক্রিয় আক্রান্তের শতাংশ ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার ফলে দেসে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা কমছে।’

বন্ধ করুন