বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > হক্কানি-বরাদর দ্বন্দ্ব, তালিবানি সরকার গঠনে 'পরামর্শ' দিতেই কাবুলে ISI প্রধান?
আবদুল ঘানি মোল্লা বরাদর (ফাইল ছবি রয়টার্স) (REUTERS)
আবদুল ঘানি মোল্লা বরাদর (ফাইল ছবি রয়টার্স) (REUTERS)

হক্কানি-বরাদর দ্বন্দ্ব, তালিবানি সরকার গঠনে 'পরামর্শ' দিতেই কাবুলে ISI প্রধান?

  • সূত্রের খবর, মোল্লাহ আবদুল ঘানি বরাদর চাইছেন যাতে সবাইকে নিয়েই সরকার গঠন হয়।

দোহা শান্তি চুক্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আফগানিস্তানে বলপূর্বক ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান। তবে এখন বিশ্ব দরবারে ভালো সাজতেই 'সবাই'কে নিয়ে সরকার গঠনের কথা বলছে তালিবান। তাতে জাতিগত সংখ্যালঘুদের রাখার কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে এই ভাবনাতেই বাঁধ সেধএছে পাক মদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন হক্কানি গোষ্ঠীর সিরাজউদ্দিন হক্কানি। তালিবানের শীর্ষে থাকা প্রভাবশালী এই জঙ্গি নেতার দাবি, ক্ষমতা শুধু তালিবানের হাতে থাকবে। কোনও সংখ্যালঘুর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগে তার আপত্তি রয়েছে। যদিও মোল্লাহ আবদুল ঘানি বরাদর চাইছেন যাতে সবাইকে নিয়েই সরকার গঠন হয় যাতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া কিছুটা সহজ হয় তালিবানের পক্ষে।

জানা গিয়েছে, এরই মধ্যে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফৈয়াজ আহমেদ শনিবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পৌঁছেছেন। তাঁর সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দলও রয়েছে। যে কোনও দিন আফগানিস্তানে নতুন তালিবান সরকারের ঘোষণা হতে পারে। তাছাড়া পঞ্জশির দখলে এখনও লড়াই চালাচ্ছে তালিবান। এই পরিস্থিতিতে পাক গোয়েন্দা প্রধানের সেখানে উপস্থিত হওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এক আগে হক্কানিদের ব্যবহার করেই কাবুলে ভারতীয় দূতাবাসের উপর হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান।

তালিবানের নয়া সরকার গঠন নিয়ে চরম বিভ্রান্তির মধ্যেই মোল্লাহ ইয়াকুব নাকি এখনও কান্দাহারেই রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে তালিবান গোষ্ঠীর সবচেয়ে কট্টরপন্থী নেতারা। এই গোষ্ঠী আবার আল-কায়দার সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক ছেদ করতে চায় না। যদিও চুক্তি অনুযায়ী তালিবানের তরফে এটা নিশ্চিত করতে হবে যাতে আফগানিস্তানে আল-কায়দা না থাকে।

ভারত প্রথম থেকেই অভিযোগ করে এসেছে যে আফগানিস্তানের নির্বাচিত সরকার ফেলে দিতে তালিবানকে মদত দিয়েছিল পাকিস্তান। তাছাড়া ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি থাকাকালীন একটি রিপোর্টে প্রকাশ হয় যাত থেকে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তেই আল কায়দার গুরুত্বপূর্ণ নেতারা থাকে। আর আইএস-খোরাসান ও আল কায়দার বিদেশি সদস্যরা সব পাকিস্তান হয়েই আফগানিস্তানে পৌঁছেছিল।

বন্ধ করুন