বাড়ি > ময়দান > CPL 2020: ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে নাইট রাইডার্সকে উত্তেজক জয় এনে দিলেন পোলার্ড
কায়রন পোলার্ড। ছবি- টুইটার।
কায়রন পোলার্ড। ছবি- টুইটার।

CPL 2020: ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে নাইট রাইডার্সকে উত্তেজক জয় এনে দিলেন পোলার্ড

  • ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডারের পারফর্ম্যান্সে আপ্লুত মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

নিশ্চিতভাবে খুশি ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। তবে তার থেকেও বেশি খুশি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএলের আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগে ব্যাট হাতে যে রকম তান্ডব চালালেন কায়রন পোলার্ড, তাতে আপ্লুত হওয়া স্বাভাবিক তাঁর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ ফ্র্যাঞ্চাইজির।

আসলে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে এবছর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগ বাড়তি মাত্রা পাচ্ছে একটাই কারণে। সিপিএলে প্রস্তুতি সেরে তারকা ক্রিকেটাররা আইপিএলে যোগ দিতে পারবেন। এমনিতে লকডাউনের জন্য ক্রিকেটাররা দীর্ঘদিন খেলা থেকে দূরে ছিলেন। তাই ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগে পর্যাপ্ত অনুশীলন সেরে আইপিএলে মাঠে নামতে পারেবন পোলার্ড, নারিন, ব্র্যাভোরা।

যদিও শুধু প্র্যাকটিসে থাকার জন্যই নয়, বরং বিধ্বংসী ফর্মে থাকার জন্য পোলার্ড এদিন বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগালেন মুম্বইকে। কেননা, কার্যত একার হাতে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে হারা ম্যাচে জয় এনে দিলেন তিনি।

বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের বিরুদ্ধে একসময় কোণঠাসা ছিল নাইট রাইডার্স। ক্যাপ্টেন দায়িত্ব নিয়ে দলকে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সাহাষ্য করেন।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বার্বাডোজ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৮ রান তোলে। জনসন চার্লস ৪৭, কাইল মায়ের্স ৪২, অ্যাশলে নার্স ১৯ ও রশিদ খান ১২ রান করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নাইট রাইডার্স নিয়মিত অন্তরে উইকেট হারাতে থাকে। একসময় তারা ৭৭ রানের মধ্যে ৬ উইকেট খুইয়ে বসে। সেখান থেকে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান পোলার্ড।

নাইট অধিনায়ক যখন ব্যাট হাতে ক্রিজে আসেন, জয়ের জন্য নাইটদের প্রয়োজন ছিল ৪৪ বলে ৮৭ রান। ক্রিজে এসে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান পোলার্ড। ২২ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। শেষমেশ ২৮ বলে ৭২ রানের অতিমানবিক ইনিংস খেলে দুর্ভাগ্যজনক রান-আউট হন পোলার্ড। ধ্বংসাত্মক ইনিংসে ২টি চার ও ৯টি ছক্কা মারেন তিনি।

শেষমেশ নাইট রাইডার্স ১৯.৫ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। শেষ চার বলে জয়ের জন্য ৮ রান বাকি ছিল নাইটদের। খারি পিয়ের ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ম্যাচের সেরা হন পোলার্ড।

টুর্নামেন্টে এটি টিকেআরের টানা ৬ নম্বর জয়। তারা ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:- বার্বাডোজ: ১৪৮/৭ (২০ ওভার), নাইট রাইডার্স: ১৪৯/৮ (১৯.৫ ওভার), (নাইট রাইডার্স ২ উইকেটে জয়ী)।

বন্ধ করুন