বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Mimi-Nusrat: ‘অন্যায় শেষের অপেক্ষায়’, বিলকিসের ধর্ষকদের মুক্তি, মোদীকে খোঁচা মিমি-নুসরতের

Mimi-Nusrat: ‘অন্যায় শেষের অপেক্ষায়’, বিলকিসের ধর্ষকদের মুক্তি, মোদীকে খোঁচা মিমি-নুসরতের

ফুঁসে উঠলেন নুসরত-মিমি

‘বাকরুদ্ধ, মন ভেঙে গিয়েছে’, বিলকিস বানোর গণধর্ষণকারীদের রেহাই নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নুসরত-মিমি।

স্বাধীনতা দিবসের দিন বিলকিস বানো (Bilkis Bano)-র ১১জন গণধর্ষণকারীদের জেল থেকে মুক্তি দিয়েছে গুজরাত সরকার। এই ইস্যুতে উত্তাল দেশ। বিজেপি শাসিত গুজরাতের রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে ৬ হাজারের বেশি আবেদন। দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড়। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী ক্ষোভ উগরে দিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় । গণধর্ষণকারীদের মুক্তির তীব্র নিন্দার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খোঁচাও দিয়েছেন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১৫ই অগস্টের ভাষণ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মিমি। যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ টুইট করেন, ‘১১ জন মানুষ যারা গণধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত তাদের কেন মুক্তি দেওয়া হল? তাহলে ১৫ আগস্টের ভাষণের সারবত্তাই বা কী? আপনি তো মহিলাদের সম্মান দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেবল একজন মহিলা হিসেবেই এই কথা বলছি। আমি বাকরুদ্ধ ও মন ভেঙে গিয়েছে।’

মিমির মতোই টুইটারে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নুসরত জাহান। তৃণমূলের বসিরহাটের সাংসদ লেখেন, 'কবে এমন অন্যায় শেষ হবে তার অপেক্ষায়। আমি অপেক্ষায়। তিনিও অপেক্ষায়। বিলকিস বানো। ন্যায়বিচার সততার প্রতিনিধিত্ব করে। এবং সত্যি, সত্যিটা হল ১১ জন গণধর্ষণ ও খুনের অপরাধীর মুক্তির পরে মিষ্টি বিলোনো হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৫ অগস্ট বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের মুক্তি দিয়েছে গুজরাট সরকার। ২০০২ সালের ঘটনায় মোট ১১ জন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি মুক্তি পায়। গোধরা কাণ্ডের পর বিলকিস বানোর পরিবারের ৭ জন সদস্যকে হত্যা এবং গর্ভবতী বিলকিসকে গণধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল এই ১১ জন। এর জেরে যাবজ্জীবন সাজা হয় তাদের। এই আবহে দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে গোধরা কারাগার থেকে এই ১১ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এই ঘটনা নিয়ে বিলকিসের আইনজীবী শোভা গুপ্তা বুধবার এক বিবৃতি প্রকাশ করেছেন নিজের মক্কেলের হয়েছ। তাতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির জেরে বিচার ব্যবস্থার প্রতি বিলকিসের আস্থা নড়ে গিয়েছে। বিলকিসের আবেদন, ‘আমাকে আতঙ্ক ছাড়া বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিন।’

বন্ধ করুন