বাংলা নিউজ > ময়দান > ইস্টবেঙ্গলকে বিক্রি হতে দেব না, প্রয়োজনে নিজের এক মাসের বেতন দেব : ‘ব্যথিত’ মদন
মদন মিত্র এবং ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একটি গোষ্ঠী (ছবি সৌজন্য এএনআই)
মদন মিত্র এবং ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একটি গোষ্ঠী (ছবি সৌজন্য এএনআই)

ইস্টবেঙ্গলকে বিক্রি হতে দেব না, প্রয়োজনে নিজের এক মাসের বেতন দেব : ‘ব্যথিত’ মদন

এসসি ইস্টবেঙ্গলের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের মারপিটে ‘ব্যথিত’ হয়ে পড়লেন মদন মিত্র।

এসসি ইস্টবেঙ্গলের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের মারপিটে ‘ব্যথিত’ হয়ে পড়লেন মদন মিত্র। জানিয়ে দিলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের বিক্রি মেনে নিতে পারবেন না। প্রয়োজনে নিজের এক মাসের বেতনও দিয়ে দেবেন বলে জানালেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক।

বুধবার মদন দাবি করেন, একুশে জুলাইয়ের সভা শেষ করে ফেরার পর তাঁর মন খারাপ হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণেশ্বরে বাড়ির সামনে প্রায় ২,০০০ ইস্টবেঙ্গল সমর্থক দাঁড়িয়ে আছেন। গলায় একটাই আওয়াজ, ‘দাদা তুমি লড়াই কর, তোমার সঙ্গে আমরা আছি। ’ সেইসঙ্গে মদন জানান, শুধু ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান স্পোটিং নয়, বাংলার কোনও ক্লাবকেই কর্পোরেট সংস্থার হাতে বিক্রি হতে দেবেন না। অভাব আছে। কয়েকটি ট্রফি পায়নি বলেই নাম পালটে যাবে? মদন বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে বিক্রি করতে দেব না, এই দাবির সঙ্গে আমিও আছি।’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘আমি বিধায়ক হিসেবে নিজের এক মাসের বেতন (মাসিক ৮২,০০০ টাকা) দিয়ে দেব।’ তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাধারণ বিধায়ক হিসেবে সেই মন্তব্য করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান জানাচ্ছেন না।


বিনিয়োগকারী শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর না হওয়ায় আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা হবে না। তা নিয়ে বুধবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে লাল-হলুদ তাঁবু। দুপুর একটার আগে থেকে লাল-হলুদ তাঁবুর সামনে ভিড় জমতে শুরু করেন সমর্থকরা। কেউ কেউ ছিলেন ক্লাবকর্তাদের সমর্থনকারী গোষ্ঠীর সদস্য, কেউ কেউ আবার ক্লাবকর্তাদের বিরোধী গোষ্ঠীর সমর্থক ছিলেন। দু'পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকে। চলতে থাকে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। একপক্ষ স্লোগান তোলে, ‘দড়ি ধরে মারো টান, নীতু সরকার খান খান’। অপর পক্ষের তরফে পালটা পোস্টারে লেখা হয়, 'ক্লাব আমার মা। রক্ত দিয়ে মা'কে রক্ষা করছি, করব।' রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে পরিস্থিতি। একটা সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দু’পক্ষের বাদানুবাদ ক্রমশ গড়ায় হাতাহাতিতে। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ময়দান। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কাজ না হওয়ায় লাঠি চালায় পুলিশ। কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তবে পুলিশি হস্তক্ষেপে বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। জনাপাঁচেক সমর্থক অসুস্থ বোধ করেন।

বন্ধ করুন